ইউনাইটেড নিউজ ২৪ ডেস্ক ::
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক (পাইলট) কার্যক্রম আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে। রাজধানীর কড়াইল এলাকায় নারীদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন সুবিধাভোগী পরিবারগুলোর কাছে মোবাইল ফোনে প্রথম মাসের নগদ সহায়তা পৌঁছে যাবে।
এই কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সুনামগঞ্জে উপস্থিত থাকবেন।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪ উপজেলার একটি করে ওয়ার্ডে এই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এর আওতায় প্রতিটি পরিবার মাসে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা পাবে। এ বিষয়ে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কয়েক দিন আগে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বগুড়ায় হবে। তবে পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ঢাকার কড়াইল এলাকায় উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যেখানে দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড
মঙ্গলবার থেকে যেসব এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে সেগুলো হচ্ছে—রাজধানীর কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাসানটেক বস্তি, মিরপুর সার্কেল বা শাহ আলীর ওয়ার্ড-৮, আলিমিয়ার টেক বস্তি (ওয়ার্ড-১৪) এবং বাগানবাড়ি বস্তি এলাকা।
এছাড়া রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জেও এই পাইলট কর্মসূচি চালু হবে।
পাঁচ স্তরের কমিটি
উপকারভোগী নির্বাচন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে পাঁচ স্তরের কমিটি কাজ করবে। এর মধ্যে থাকবে উপজেলা বা শহর কমিটি, ইউনিয়ন কমিটি, পৌর কমিটি (শহর) ও ওয়ার্ড কমিটি। সব কমিটির ওপরে থাকবে মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি এবং সদস্য সচিব থাকবেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।
নারীর নামে কার্ড
সরকারি সূত্র জানায়, পরিবারের মা অথবা নারীপ্রধানের নামে এই ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। কার্ডধারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। কার্ডে নাগরিকের বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই কার্ডকে সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ডে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে।