বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

মাদ্রাসাছাত্রী আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় চুয়াডাঙ্গার শীর্ষ সন্ত্রাসী কালাম গ্রেফতার – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২
  • ২০৯ সময় দেখুন
মাদ্রাসাছাত্রী আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় চুয়াডাঙ্গার শীর্ষ সন্ত্রাসী কালাম গ্রেফতার – Corporate Sangbad


আইন-আদালত

আহসান আলম, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : বাবা অসুস্থ থাকায় পড়াশোনার পাশাপাশি দোকান দেখাশোনা করত মাসুমা। দোকানে আসা ছেলেদের সাথে কথা বলা পছন্দ করত না প্রেমিক আবুল কালাম আজাদ ওরফে কালাম (২৪)। দোকানে আসা এক ছেলের সাথে কথা বলাকে কেন্দ্র করে গত ১৮ মার্চ মাসুমাকে দোকানে সবার সামনে চড়-থাপ্পড় মারে কালাম। এতে রাগে-ক্ষোভে-অপমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে মাদ্রাসাছাত্রী মাসুমা আক্তার (১৭)। ওই ঘটনায় মাছুমার বাবা আমিনুল ইসলাম বাদি হয়ে ওইদিন রাতেই কালামকে আসামী করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

চুয়াডাঙ্গার চাঞ্চল্যকর ওই আত্মহত্যার প্ররোচণার প্রধান অভিযুক্ত কালামকে গ্রেফতারের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন।

আজ মঙ্গলবার ভোর ৪ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত কালাম চুয়াডাঙ্গার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও দ্রুত বিচার আইন, মারামারিসহ অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে ব্রিফিং করেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন। সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ , এস আই মাসুদ রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাসুমা ও কালামের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কালাম বখাটে ও মাদকাসক্ত। মাসুমা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম ১ম বর্ষ (একাদশ) শ্রেণির ছাত্রী। পাশাপাশি বাবার চায়ের দোকানেও বসত। মাছুমাকে দোকানে বসা কালাম মেনে নিতে পারেনি। সেখানে আসা ছেলে ক্রেতাদের সাথে কথা বলাও পছন্দ করত না কালাম। এ কারণে বেশ কয়েকবার শাঁসায় মাসুমাকে। ওই ছেলের সাথে কথা বলাকে কেন্দ্র করেই গত ১৮ মার্চ দোকানে সবার সামনে মাসুমাকে চড়-থাপ্পড় মারে কালাম। এতে রাগে-ক্ষোভে-অপমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে মাসুমা। আত্মহত্যার পরপরই পালিয়ে যায় কালাম। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর ৪ টার দিকে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মাসুদ রানা ও এএসআই ইলিয়াস হোসাইন, আলমডাঙ্গা থানার মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের অফিসার ফোর্সের সহায়তায় মুন্সিগঞ্জ এলাকার নতিডাঙ্গা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, অর্ধ ডজন মামলার আসামি বখাটে কালাম চুয়াডাঙ্গা জেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে কথা বললে সে যখন তখন কোপাত। ২০২০ সালে ছাত্রলীগ নেতা জোবায়ের রিগান ও তার মামা কৃষক লীগ নেতা মহসীন রেজাকে কুপিয়ে জখম করে কালাম। দা নিয়ে কোপানোর জন্য তাকে এলাকায় দা কামাল নামেও ডাকা হয়।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর