বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন

শেরপুরে পৃথক মাদক মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন, অন্যজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন, ২০২২
  • ১৮৭ সময় দেখুন
শেরপুরে পৃথক মাদক মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন, অন্যজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড – Corporate Sangbad


আইন-আদালত

আল আমিন, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি :

শেরপুরে পৃথক মাদক মামলায় মো. রাহিদুল খান ওরফে আহিদুল (৩৩) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং মো. শাকিল মিয়া (৩৪) নামে অপর এক যুবকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল মামুন ২ মামলার ওই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত আহিদুল শেরপুর সদর উপজেলার চরখারচর মধ্যপাড়া এলাকার মো. আব্দুল খালেক খার ছেলে এবং শাকিল ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। তাদের মধ্যে আহিদুল পলাতক রয়েছে।

পৃথক ২ মামলায় রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি এ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল জানান, ২০১৬ সালের ৯ মে বিকেলে ২ এপিবিএন (মুক্তাগাছা) এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিমের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সূত্রে সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার চরখারচর বাজারসংলগ্ন চৌরাস্তা মোড় থেকে ৬ লক্ষ টাকা মূল্যের পলিথিনে মোড়ানো ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ স্থানীয় রাহিদুল খা ওরফে আহিদুলকে হাতেনাতে আটক করে। ওইসময় মনসুর খা ও উসমান আলী নামে তার ২ সহযোগী পালিয়ে যায়। পরে ওইদিনই এপিবিএনের এসআই খ.ম হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ জুন ৩ জনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সদর থানার তৎকালীন এসআই কামরুল হাসান। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের আদেশমূলে জামিন নিয়ে পলাতক হয় আহিদুল। বিচারিক পর্যায়ে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রধান আসামি আহিদুলকে যাবজ্জীবন সাজাসহ অর্থদণ্ড এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর ২ সহযোগী আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

এছাড়া ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই বিকেলে গোপন সূত্রে সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১ (জামালপুর) এর একটি আভিযানিক দল ঝিনাইগাতী সদরের ব্রিজপাড় এলাকা থেকে স্থানীয় শাকিল মিয়াকে দুটি প্যাকেটে ১ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা মূল্যের ৫১ গ্রাম ওজনের ৫১০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে আটক করে। একইদিন র‌্যাবের পক্ষ থেকে ঝিনাইগাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে একই বছরের ৩ আগস্ট একমাত্র আসামি শাকিল মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন ঝিনাইগাতী থানার এসআই জহুরুল ইসলাম। এ মামলায় বিচারিক পর্যায়ে ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর