মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কর্ণফুলীতে ডেঙ্গু পরীক্ষার কীট ও মশক নিধন সামগ্রিক বিতরণ কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে অবৈধ দখল উচ্ছেদ কর্ণফুলীতে বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন, দিনব্যাপী কর্মশালা সম্পন্ন ‘আজকের বিতার্কিকরাই আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে’ হামলাকারী রাবি ছাত্রদল নেতাদের বাঁচাতে সিসিটিভি ফুটেজ ডিলিট করল প্রভোস্ট ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৯০২ দাসত্ব বরণ নয় বরং প্রযুক্তির উপর করতে হবে রাজত্ব চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী Mohsin Khan-Tamanna Married In Los Angeles? YRKKH Actor’s Cryptic Post Has Fans Saying ‘Mr And Mrs Khan’ | Television News R Praggnanandhaa: ‘I had fever, was not high on energy’: R Praggnanandhaa after double medals at Chess Olympiad | Exclusive | Chess News দুর্গাপূজায় কেউ দুরভিসন্ধি করলে সরকার সহ্য করবে না: ইশরাক

২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮২৩ সময় দেখুন
২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী

আগামীকাল ২২ জানুয়ারী ২০২৬ স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, উপ-মহাদেশের মেহনতি মানুষের কণ্ঠস্বর, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী।

মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে ভারত অবস্থানের পর ১৯৭২ সালের এই দিনে বাংলার কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের নয়নমণি মওলানা ভাসানী এ দিন স্বদেশের মাটিতে ফিরে আসেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ১২ দিন পর ঢাকায় পত্রপত্রিকায় মওলানা ভাসানীকে নিয়ে নানা ধরনের লেখালেখি শুরু হলে ভারত সরকার মওলানা ভাসানীকে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করেন। তখন তার স্বাস্থ্য বিশেষ ভালো ছিলো না। দিল্লী থেকে দেশে ফেরার আগে তিনি আসামে ২১ জানুয়ারি ১৯৭২ আসামের ফরিদগঞ্জে তিনি এক জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন, সেখানে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে দীর্ঘ ইতিহাস, পাকিস্তানের বর্বরতা ও ২৩ বছরের শোষণের একটি চিত্র তুলে ধরেছিলেন। পরদিন ২২ জানুয়ারি মেঘালয় থেকে তিনি ভারত সরকারের একটি জীপে বাংলাদেশের হালুয়াঘাটে পৌঁছেন। তার সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন চিকিৎসক ছিলেন। হালুয়াঘাটে মহান নেতা মওলানা ভাসানীকে মামুলি অভ্যর্থনা জানিয়েছিল ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক খসরুজ্জামান চৌধুরী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও তার ভক্তমন্ডলী।

১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ অর্থাৎ আজকের আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের প্রধান নেতা, ১৯৫৭ সালের কাগমারী সম্মেলনে পশ্চিম পাকিস্তানীদের উদ্দেশ্যে ‘আসসালামু আলাইকুম’ উচ্চারন, ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানসহ সকল নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্থপতি মওলানা ভাসানীকে স্বাধীনতার ৫৩ বছরের সরকারগুলো প্রাপ্য মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ভাসানীর বাংলাদেশে কোন অপশক্তির ঠাই হবে না : বাংলাদেশ ন্যাপ

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতহাস মওলানা ভাসানীকে ছাড়া রচনা সম্ভব নয়। যারা স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে মওলানা ভাসানীকে বাদ দিয়ে ইতিহাস রচনা করতে চান তারাই একদিন ইতহাস থেকে হারিয়ে যাবেন। মনে রাখতে হবে মওলানা ভাসানীর বাংলাদেশে কোন অপশক্তির ঠাই হবে না, হতে পারে না।

বুধবার (২১ জানিুয়ারি) ২২ জানুয়ারী মওলানা ভাসানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, শাসকগোষ্টির দেশবিরোধী-গণতন্ত্র বিরোধী, লুটেরাগোষ্টির বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানীর ’খামোশ’ উচ্চারন জাতি এখনো শুনতে চায়। মজলুম জননেতা ভাসানী মার খাওয়া মানুষের নেতা। মেহনতি মানুষের ‘লাল মওলানা’ রামধনুর মতো। অনেক রং, একটার সঙ্গে আর একটা মিশে যাচ্ছে। কখনও আবার মিশছে না, পাশাপাশি ছুঁয়ে আছে একে অন্যকে।

তারা বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন বহুমাত্রিক। মানুষের মত, এই উপমহাদেশের মত। এই মাটিকে আত্মস্থ না করে, এই মাটির কৃষক চেতনা এবং কৃষক বিদ্রোহের ইতিহাসের নিবিড় পাঠ ব্যতিরেকে তাঁকে বোঝা অসম্ভব। মওলানা ভাসানী আজীবন ছিলেন মজলুমের কন্ঠস্বর। আপোসহীন ভাষায় উচ্চারণ করেছেন ‘খামোশ’! শান্তি এবং নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেছেন পুরো পৃথিবী জুড়ে। এখনো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বাংলার জনপদ, থেকে গেছেন কৃষক-শ্রমিক মজলুম মানুষের হৃদয়ে। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও গণতান্ত্রিক সংকট উদ্ধারে মওলানা ভাসানীকে আজকে বড়ই প্রয়োজন; যে চিৎকার দিয়ে শ্লোগানে বলতে পারবে “বাঁশের লাঠি তৈরি কর, গণতন্ত্র কায়েম কর” ” জনগণ ঐক্য গড় যোগ্য লোককে সংসদে পাঠাও”।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর