শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

আইসিটি শিক্ষায় স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে ইউজিসি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৮ মে, ২০২২
  • ১৭৩ সময় দেখুন
আইসিটি শিক্ষায় স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে ইউজিসি


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববদ্যিালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই, আইটি, আইসিই বা আইসিটি বিষয়ে ক্যারিকুলাম হালনাগাদে এই গাইডলাইন বেশ সহায়ক হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৮ মে) ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগমের হাতে স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইনের কপি হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা’র সহযোগিতায় এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাত সদস্যের কমিটি এই গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে।

দেশে ১০ হাজার আইটি ইঞ্জিনিয়ারের কর্মসংস্থান তৈরি করতে এবং আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সচেতনতা বাড়াতে ইউজিসি, বিসিসি ও জাইকা যৌথভাবে কাজ করছে।

গাইডলাইন হস্তান্তরের সময় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ ইনামুল কবির, জাইকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিরোকি ওয়াটানাবেসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, ‘দেশর তরুণ প্রজন্মকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী করে গড়ে তুলতে হলে প্রযুক্তির শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার জন্য এই গাইডলাইন বেঞ্চমার্ক হিসেবে কাজ করবে। এই গাইডলাইন বাস্তবায়নে ইউজিসি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই গাইলাইন অনুসারে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার পাঠ্যক্রম হালনাগাদ করা হলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটরা এগিয়ে থাকবে।’

অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘এই গাইডলাইন অনুসারে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার কারিকুলাম প্রণয়ন করা হলে আইসিটি সেক্টরে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ঘাটতি কমবে। এটি আইসিটি শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করবে। এর মাধ্যমে আইসিটি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি হবে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটদের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।’

জাপানে আইটি পেশাজীবীদের মাননিয়ন্ত্রক জাতীয় পরীক্ষা আইটিইইসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশি গ্রাজুয়েটরা ভালো করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, জাপানের ইনফরমেশন টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশনে দেশের আইটি গ্রাজুয়েটরা যাতে ভালো ফলাফল করতে পারে সে জন্য ২০১৯ সালে দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করে ইউজিসি। ওই কর্মশালার সুপারিশ অনুযায়ী এই গাইডলাইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

সারাবাংলা/টিএস/পিটিএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর