মেহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে শিকলবাহা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান ও উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি’র নেতৃত্বে শিকলবাহা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক পদপ্রার্থী আলমগীর কবির’কে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে।
(৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার শিকলবাহা ক্রসিং এস আর স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে এঘটনা ঘটে।
পুলিশের কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া ব্যক্তি’রা হলেন, শিকলবাহা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার, কর্ণফুলী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তৈয়বুল আলম আংকুর ও স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মী বাহারের নেতৃত্বে
যুবলীগ নেতা আলমগীর কবির’কে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিএনজি যুগে পুলিশের একটি টিম এসে এস আর স্কয়ারের সামনে থেকে যুবলীগ নেতা আলমগীর কবির’কে আটক করে সিএনজি’তে তুলে নেই। পুলিশ আসামি নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার আগেই শিকলবাহা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার, কর্ণফুলী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তৈয়বুল আলম আংকুর ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী বাহার সহ আরও বেশ কিছু লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশের সাথে তর্কে জড়ানোর এক পর্যায়ে অভিযুক্ত’রা আলমগীর কবির’কে পুলিশের সিএনজি নামিয়ে ছেড়ে দিলে আলমগীর কবির দৌড়ে পালিয়ে যায়।
শিকলবাহা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার ব্যাপারে যে কথাটা উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আওয়ামী লীগ নেতাকে এস আর স্কোয়ার বিবাহ আসরে পুলিশ হানা দিলে তৎক্ষনাৎ আমি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশকে অনুরোধ করি বিয়ের আসর থেকে তাকে না ধরার জন্য। তখন আওয়ামী লীগ নেতাকে পুলিশ ছেড়ে দিলে মুহূর্তের মধ্যে আসামী ক্লাব থেকে পালিয়ে যায়।
এবিষয়ে কর্ণফুলী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তৈয়বুল আলম আংকুর বলেন, ঐ সময় ক্লাবে আমি আর শিকলবাহা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ছিলাম। ক্লাব থেকে ধরে নিয়ে যাওয়াতে আমরা বাঁধা দিয়েছি। তখন সবার চাপের মুখে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
এবিষয়ে জানার জন্য কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহাম্মদ শরিফকে একাধিকবার কল দেওয়ার পরও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।