ভ্রাম্যমান সংবাদ দাতাঃ ২৭অক্টোবর
চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকায় গত কয়েক বছরে অনেক গুলো সমিতি উধাও হবার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সমবায় নিবন্ধনকৃত আবার অনেকগুলো নিবন্ধনবিহীন বা লাইসেন্স ছাড়া।
এসব সমিতির লোকজনস্থানীয় কয়েকজন কে কমিটির নাম করণে লোভ দেখিয়ে এবং অধিক মুনাফার কথা বলে এফডি আর করে ব্যবসা শুরু করে। শ্রমজীবি-সাধারণ মানুষের বেতন-ঘরভাড়া ওক্ষুদ্র ব্যবসা কে মূলধন দেখিয়ে ব্যাংকে বা বাড়ীতে জমা করা অর্থ গুলো নাম সব্বোর্স সমিতির প্রতিষ্ঠানে সঞ্জয় করে প্রতারিত হবার অজস্র তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
প্রথম ২/১মাস সমিতি গুলো কিছু মানুষ কে লোন-ঋণদিয়ে আস্তা অর্জন করে বছর দেড়কের মধ্যে শতশত গ্রাহক বা সদস্য হলেই জমানো সঞ্জয় নিয়ে উধাও হবার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেই রকম একটি অভিযোগ দেন সিমেন্টক্রসিংস্থ মোহাম্মদ আলীশাহ রোডের মুদিদোকানী মোঃ মন্জুরুল করিম মানিক। তিনি জানাই, গত কয়েক মাস আগে সঞ্জয়ের ৫০হাজার টাকা সহ প্রায় ২৫/৩০লাখ টাকা নিয়ে বন্দরটিলা শহীদ নুরুজ্জামান রোডস্থ”গোল্ডেন ফোরস্টার কর্মজীবি কো-অপারেটিভ সোসাইটি নামে একটি সমিতি/প্রতিষ্ঠান।
ঐ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি-দিদারুল আলম,সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন শেখ,অর্থ-সম্পাদক রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ৪/৫মাস যাবত পলাতক রয়েছে। তাদের কে কোথাও পাওয়া না যাওয়ায় সমিতির শতশত গ্রাহক-সদস্যরা খুবই চিন্তাই আছেন বলে জানান।
সদস্যদের সূত্রে আরো জানা গেছে-জসিম উদ্দিন শেখ অন্য একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। গ্রাহকদের লক্ষলক্ষ টাকা হাতিয়ে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা সমবায় ও আর্থিক বিধিতে চরম অন্যায়। সদস্যরা আরো জানান, এই গ্রুপটি গ্রাহকের জমানো এফডি আর, ডিপিএস অন্যান্য জমাকৃত সঞ্জয় নিজেরা তুলে উধাও হয়েছে। এই ব্যাপারে নিকটস্থ থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার সদস্য/গ্রাহকরা পাইনি বলে সংবাদ মাধ্যম কে জানিয়েছেন্।
তারা আরো জানাই-এই সমিতির মতো আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ইপিজেড এলাকা থেকে উধাও রয়েছে, সেগুলো হলো-সততা ফাউন্ডেশন,ভাই-বন্ধু,বকুল ফুল,নবতারা,ছায়াঁ স্বপ্ননীড় এবং বহুল প্রচারিত”রূপসা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাঃ সহ পতেঙ্গা এলাকার কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
সম্প্রতি সময়ে ইপিজেড মোড় চৌধুরী মার্কেটস্থ ২য়তলায় রূপসার গ্রাহকরা টাকা ফিরে পাবার প্রত্যাশায় থানায় গিয়ে কোন টাকা পাচ্ছেন বলে ভুক্তভোগিরা জানান। টাকা চাইতে গেলে প্রতিষ্ঠানের জাকির হাওলাদার, মূসা হাওলাদার,রাসেল হাওলাদার এবং মুজিব কোম্পানী নারী সদস্যদের চরমভাবে লাঞ্জনা দিয়ে সময় ক্ষেপনকরার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগিরা সবাই তাদের জীবনের সঞ্জিত অর্থ ফিরে পেতে মাননীয় জেলা প্রশাসক, র্যা ব-৭ অধিনায়ক ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি বিশেষ আবেদন জানাচ্ছেন। বিষয়টি জন গুরুত্ব ভেবে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ভুক্তভোগিদের পক্ষে বিনয়ী আবেদন জানাচ্ছি।