মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার বিতরণ Esha Deol Talks About ‘Ups And Downs In Life’, Reveals Who Is A ‘Perfect Husband’ | Bollywood News ‘I thought my cricketing career was over’: Devdutt Padikkal opens up on toughest phase ahead of New Zealand Tests | Cricket News কালিয়াকৈরে আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পের পণ্যে আকৃষ্ট চার দেশের রাষ্ট্রদূত আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের বিনামূল্যে ইউটিউব প্রিমিয়াম ব্যবহারের নিরাপদ ও বৈধ উপায় হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৪৬৬ খেলতে খেলতে শেখার আনন্দ, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা যাচাই প্রতিমন্ত্রীর চীনে পাঁচ বাংলাদেশি পুলিশের হাতে আটক সিএমপি বাকলিয়া থানা পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার সহ ০১(এক) জন পেশাদার চোর গ্রেফতার।

চালের বাজার নিয়ন্ত্রনে কঠোর পদক্ষেপ নিন : সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৯১ সময় দেখুন
চালের বাজার নিয়ন্ত্রনে কঠোর পদক্ষেপ নিন : সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ

আমনের ভরা মৌসুমেও চালের বাজারে অস্থিরতা শুরু হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও উতকন্ঠা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ’র শীর্ষ নেতৃদ্বয় বলেন, ‘ সরকারের অবহেলার ফলে চালের বাজার নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়েছে, ফলে চালের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী। আমনের ভরা মৌসুমেও কেন চালের মূল্য কেন বৃদ্ধি পাচ্ছে জনগন সেই প্রশ্নের উত্তর খুজে পাচ্ছে না। এটা দিবালোকের মত স্পষ্ট যে, সরকারের কঠোর পদক্ষেপের অভাবে ভরা মৌসুমেও চালের মূল্য বৃদ্ধি হচ্ছে মোকামেই। তার প্রভাব পড়ছে পাইকারি ও খোলা বাজারে। চালের বাজারে বেসামাল মূল্যবৃদ্ধি উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করছে ভোক্তাদের মধ্যে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ‘চাল আমদানির সুযোগ ও শুল্ক কমানো হলেও পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়। ধানের উৎপাদনে ঘাটতি নেই, ব্যবসায়ীদের কাছে ধান-চাল যথেষ্ট মজুতও রয়েছে। তবুও মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে শুধুমাত্র মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের অভাবের কারণে। পূর্বে সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়ে মিলারদের চাপে রাখলেও এবার তেমন কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। ’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘ধসৎ ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে চালের মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে। চালের মূল্যবৃদ্ধির পেছেনে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করছেন পাইকার ও মিলাররা। শুধু করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়ী করলে চলবে না। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মিলার ও পাইকাররাও মূল্য বৃদ্ধি করছে। অন্যদিকে চালের বাজারে খাদ্য বিভাগ, ভোক্তা অধিকার বা জেলা প্রশাসনের কোনো রকম তদারকি নেই বললেই চলে। চালের বাজার তদারকির বাইরে রয়েছে। এ কারণেও দফায় দফায় চালের মূল্যবৃদ্ধি পাচ্ছে। ’

তারা বলেন, ‘পণ্যের মূল্য হ্রাস করতে আমদানি শুল্ক কমানোসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া সত্ত্বেও বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। এর মূল কারণও সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা। মিলারদের কারসাজিতে চালের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। যারা চালের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে সিন্ডিকেটের সদস্যরা মূল্যবৃদ্ধি করে সরকার ও জনগনকে মুখোমুখি দাড় করাবে। যা রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর হবে না।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘দেশের উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। এর মধ্যেই সরকার যে ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধি করেছে তাতে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব বেশি পড়ছে। ভরা মৌসুমেও ভোক্তাকে বেশি মূল্য দিয়ে চাল কিনতে হচ্ছে। এতে চরম অস্বস্তিতে পড়ছে ভোক্তা শ্রেনী। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারকে অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকারের উপদেষ্টা আর কর্তা ব্যক্তিরা শুধু শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে নীতি বাক্য বললেই বাজার নিয়ন্ত্রন হবে না। মনে রাখতে জনগনের পেটে ভাত না পড়লে কোন নীতিকথা কাজে লাগে না।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর