বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন

ডা. মিলনের স্বপ্নের গণতন্ত্র এখনও অধরা : জেবেল-মোস্তফা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২
  • ১১৯ সময় দেখুন
ডা. মিলনের স্বপ্নের গণতন্ত্র এখনও অধরা : জেবেল-মোস্তফা

শহীদ ডাঃ শামসুল আলম মিলনের আত্মত্যাগের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের মৌলিক অধিকার তথা সংবিধান অনুযায়ী চলাফেরা, মত প্রকাশসহ অন্যান্য অধিকার আদায়ের দাবিতে সম্মিলিত আন্দোলনের ফসল হিসেবে ’৯০-এর স্বৈরাচারের পতন হয়েছিল। কিন্তু, দু:খজনক হলেও সত্য শহীদ মিলনের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক, শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ এখনও প্রতিষ্ঠিত হয় নাই। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ডা. মিলনের স্বপ্নের গণতন্ত্র এখনও অধরা।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) ২৭ নভেম্বর শহীদ ডা: শামসুল আলম খান মিলন দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, সারা দেশ আজ লুটেরা ও দুর্নীতিবাজদের নিয়ন্ত্রনে চলে যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য লাগামহীন উর্দ্ধগতির মাধ্যমে জনগনের পকেট কাটা শেষ হয় নাই এখনও, তারপরও ভোজ্যতেল-চিনি-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন করে লুটপাটের ক্ষেত্র তৈরী হয়েছে। চারদিকে দুর্নীতিবাজদের কালো থাবার কারণে সরকারের উন্নয়ন জনগনের মন স্পর্শ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সরকারে চাইতে দুর্নীতিবাজ ও লুটেরা সিন্ডিকেট অনেক বেশী শক্তিশালী।

তারা আরো বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলন আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক জনতার হৃদয়ে ঠাই করে নিয়েছেন। সেখান থেকে তাকে মুছে ফেলার সাধ্য কারো নেই। দেশ-জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে ডা. মিলনের আত্মত্যাগের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশপ্রেমিক জনতার মধ্যে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, গণতন্ত্রের জন্য বারবার আমাদের টগবগে তরুণ সন্তানেরা জীবন বাজি রেখে স্বৈরশাসকের পতন ঘটিয়েছে গণমানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য, মৌলিক অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। আমাদের সন্তানদের রক্তস্রোতে অর্জিত জাতীয় অর্জনগুলো আজও ভূলুণ্ঠিত। বারবার আশাহত সাধারণ মানুষ আজ রাজনীতির প্রতি, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তরুণেরা আজ অসুস্থ ও সুবিধাবাদী রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

তারা বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পেশাজীবী নেতা ডা. মিলনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ ফিরে পায় ভোট ও ভাতের অধিকার। আজ সেই অধিকারও প্রশ্নবিদ্ধ। গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রবিরোধী অপশক্তিগুলোর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে গণতন্ত্রকে মজবুত ভিতের ওপর দাঁড় করাতে হবে। আর তাহলেই ডা. মিলনের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর