শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যয় সংকোচনের নির্দেশনা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৬ জুলাই, ২০২২
  • ১৫৭ সময় দেখুন
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যয় সংকোচনের নির্দেশনা


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সরকারের ব্যয় সংকোচন পরিপত্র অনুসরণ করে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেট যথাযথভাবে ব্যয় ও বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা (এপিপি) প্রণয়ন করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এছাড়াও, প্রণীত বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা ৩১ জুলাই এপিএ সফটওয়্যারে আপলোড করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট সঠিকভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে সরকারি পরিপত্র-আদেশ-অনুশাসন পালনসহ বাজেট বাস্তবায়ন পরিকল্পনা‌ শীর্ষক এক সভায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ইউজিসির অর্থ ও হিসাব বিভাগের সদস্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহেরের সভাপতিত্বে সভায় কমিশনের অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, বাজেট শাখার উপ-পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রেজিস্ট্রার, হিসাব বিভাগীয় প্রধান ও প্রকৌশল দফতর প্রধানরা অংশ নেন।

সভায় প্রফেসর আবু তাহের বলেন, ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে সরকার ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্টদের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

সভায় জানানো হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে নতুন/ প্রতিস্থাপক হিসেবে সকল প্রকার যানবাহন কেনা বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি ও অপরিহার্য ক্ষেত্র বিবেচনায় আপ্যায়ন ব্যয়, অন্যান্য মনোহরি, কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, আসবাবপত্র খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০% ব্যয় করা যাবে। দেশের অভ্যন্তরে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০% ব্যয় করা যাবে। পেট্রোল, ওয়েল এবং লুব্রিকেন্ট ও গ্যাস ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ৮০% ব্যয় করা যাবে। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের ২৫% সাশ্রয় করতে হবে।

এছাড়া উন্নয়ন বাজেট ও নিজস্ব তহবিলের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সকল প্রকাল প্রকল্প/ কর্মসূচি/ স্কিমসমূহের ক্ষেত্রে সম্মানী খাতে বরাদ্দ থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি), প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটি (পিএসসি), বিভাগীয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (ডিপিইসি), বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (এসপিইসি) এবং বিভাগীয় বিশেষ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (ডিএসপিইসি) সভায় সম্মানী বাবদ কোন অর্থ ব্যয় করা যাবে না। সভা/ সেমিনার/ ওয়ার্কশপ/ প্রশিক্ষণ যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি করার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

সারাবাংলা/টিএস/একেএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর