
নাজমুল হক সানী, বরিশালে প্রতিনিধি ::
গণপূর্ত অধিদপ্তর বরিশালের আওতাধীন ৩৭১ একর ৪৮ শতাংশ জমি রয়েছে এর ভিতরে ১১৯১ কোটি টাকার মূল্যর ১৭ একর জমি বেদখল রয়েছে। চরকাউয়া ইউনিয়নের নাপ্তারহাটখোলা শাহ আলম খান নামে এক ব্যাক্তির দখলে ৯ একর ২৮ শতাংশ।
তথ্যসূত্রে, ১৯৮৬ সালে গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে বাৎসরিক চুক্তিতে লিজ গ্রহণ করেন শাহ আলম খান। ২০০৮ সালে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে সারাদেশে পূর্তের সকল জমির লিজ বালিত করা হয়। কিন্তু শাহ আলম খান তার স ক্ষতিপুরন দাবী করে গণপূর্তের কাছে সময় চায় তাকে সময় দেওয়া হয়। সে সময় চেয়ে ক্ষতি পুরোন দাবী করে ২০০৮ সালে মামলা করেন। মামলা গণপূর্ত মোকাবিলা করতে গেলে তিনি মামলা চালাবেন না বলে আদালতে আবেদন করেন। জানাজায় তিনি মামলা উঠিয়ে তার দখল কৃত জমিতে ১৯৫৬ সালের একটা ডিগ্রি দেখিয়ে তার নামে জরিপ করে নেয় প্রায় ১০০ কোটি টাকার মূল্যর জমি।
রূপাতলী হাউজিং এর দক্ষিণ পাশে বরিশাল – পটুয়াখালী মহাসড়ক সংলগ্ন ১০ একর জমি অপসোনিন ঔষধ কোম্পানির দখলে তারা কোন স্থাপনা না করলেও প্রাচীর দিয়ে নিজদের দখলে রেখেছেন। রূপাতলী হাউজিং এলাকায় জমির মূল্য কম বেশি ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা হবে। অফসোনিন দখলকৃত জমির বাজার মূল্য হবে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা হবে।
সাগরদী বাজারে বরিশাল সিটি করপোরেশন বাজার মূল্যর প্রায় ৩০ কোটি টাকার ১৪.৭৫ শতাংশ জমি দখল করে মার্কেট করেছে। সাগরদী বাজারের এক শতাংশ জমির মূল্য রয়েছে ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা।
ভাটারখাল গণপূর্ত অফিসের প্রেবেশ মুখে ১৫ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহল যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৬০ কোটি টাকা। ভাটারখালে ১ শতাংশ জমির মূল্য রয়েছে ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা। অসাধু কিছু লোক সংঘবদ্ধভাবে জমিতে দোকান উঠিয়ে ভাড়া দিয়ে ভোগ করতেছে। একধিকবার দখল ধারদের জমি ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দিলে তা কোন আমলে নেননি কেউ। চাঁদমারীতে প্রায় ১ কোটি টাকার মূল্যর ৪.৭৫ শতাংশ জমি বেদখল রয়েছে।
বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কামরুল হাছান বলেন, বরিশালে আমাদের বেশকিছু জমি বেদখলে রয়েছে। আমরা এগুলো উদ্ধারে আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের ভিতরে থাকা দামি জমিগুলোর প্রতি প্রভাবশালী মহলের টার্গেট থাকে। রূপতলীর জমি আমরা সিগ্রই দখলে যাবো। ইতোমধ্যে রূপতলীর জমিতে গণপূর্তের সাইনবোর্ড লাগানো জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে।