বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন

সালিশে ছাত্রীকে বিয়ে : বরখাস্ত সেই চেয়ারম্যান বললেন ‘দোষ করিনি’ 

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১
  • ৪০০ সময় দেখুন
সালিশে ছাত্রীকে বিয়ে : বরখাস্ত সেই চেয়ারম্যান বললেন ‘দোষ করিনি’ 


ইউনাইটেড নিউজডেস্ক

সালিশে গিয়ে কিশোরীকে বিয়ে করার অভিযোগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার রাতে স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে বরখাস্তের নির্দেশ জারি করে। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪ (৪) (ঘ) ধারার অপরাধ সংঘটিত হয়েছে দেখিয়ে ঐ ইউপি চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে এবার তিনি বললেন, তিনি বিয়ে করে কোন দোষ করেননি।

বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানকে কেন তাকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না, তা এ চিঠি পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিজের বিয়ে নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিয়ে নিয়ে দেশব্যাপী আলোচিত পটুয়াখালীর বাউফলের কনকদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার।

তিনি বলেন, আমি বিয়ে করে কোনো অপরাধ করিনি। যখন স্ত্রী আমার সঙ্গে সংসার করতে চাননি তখন তাকে দেশের প্রচলিত আইন ও ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী তালাক দিয়েছি। এটাও কোনো অপরাধ নয়। অথচ একটি মহল আমাকে হেয় করার জন্য আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। শাহিন চেয়ারম্যান আরো  বলেন, উক্ত স্কুলছাত্রী নাজনীন আক্তারের সঙ্গে গত ১৮ই মে বাউফলের নাজিরপুরের ফারুক আকনের ছেলে সোহেলের বিয়ে হয়। ২০শে মে তিনি সোহেলকে তালাক দেন। সোহেলকে তালাক দিয়ে তিনি আমাকে বিয়ে করেন।

 

গত ২৪শে জুন নাজনীন আক্তারকে রেজিস্ট্রি করে আমি বিয়ে করি। কিন্তু বিয়ের পর আমি জানতে পারি পাশানিবাসী রমজান নামের এক ছেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে এবং এ বিয়ের কথা শুনে রমজান ঘুমের ওষুধ সেবন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এতে আমি বিব্রত হয়ে নাজনীনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন। পরে এ বিষয়ে করণীয় কি জানতে চাইলে নাজনীন তার প্রেমিকের কাছে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং আমাকে তালাক দিতে সম্মত হন।

চেয়ারম্যান  বলেন, ২৫শে জুন আমাকে তালাক দিয়ে  অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী (১৪)  নাজনীন তার প্রেমিকের কাছে চলে যান। যাওয়ার সময় তার চাচা, দাদা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি কোনো অপরাধ করিনি। তবে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, আমি নাজনীনকে নাকি জোর করে বিয়ে করেছি। যা সত্য নয়। এ  বিষয়ে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকবৃন্দকে অনুরোধ জানান তিনি।
Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর