রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

লোন পরিশোধ করা যাচ্ছিল না, ব্যাঙ্ক থেকেও আসছিল চাপ; এরপর যা কাজ শুরু করল দম্পতি… পুলিশের চক্ষুও চড়কগাছ !

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১১৫ সময় দেখুন


Last Updated:

বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে একটি ক্রেডিট কার্ড নিয়েছিল এক দম্পতি। এরপর নিজেদের শখ আর স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তারা একটি লোনও নেয়। কিন্তু সেই লোন পরিশোধ করতে পারেনি ওই দম্পতি।

ধৃত দম্পতির কাজকর্মে পুলিশের চক্ষুও চড়কগাছধৃত দম্পতির কাজকর্মে পুলিশের চক্ষুও চড়কগাছ
ধৃত দম্পতির কাজকর্মে পুলিশের চক্ষুও চড়কগাছ

গাজিয়াবাদ: বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে একটি ক্রেডিট কার্ড নিয়েছিল এক দম্পতি। এরপর নিজেদের শখ আর স্বপ্ন পূরণ করার জন্য তারা একটি লোনও নেয়। কিন্তু সেই লোন পরিশোধ করতে পারেনি ওই দম্পতি। এদিকে চড়চড় করে বাড়ছিল ব্যাঙ্কের সুদ। ফলে ব্যাঙ্ক থেকেও সেই লোন পরিশোধ করার জন্য চাপ আসছিল। এরপর চাপে পড়ে তারা এমন কাজ শুরু করেন যে, এক লপ্তে প্রচুর টাকা রোজগার হতে থাকে। আর স্বামীকে এই কাজে যোগ্যসঙ্গত দিচ্ছিল স্ত্রী-ও। এভাবেই চলছিল। কিন্তু বেশি দিন চলেনি এই খেলা। অবশেষে পুলিশের জালে পড়েছে ওই দম্পতি।

আরও পড়ুন– পার্টিতে তুমুল অশান্তি ! আমিশার গায়ে হাত পর্যন্ত তুলতে গিয়েছিলেন মমতার সেক্রেটারি, তারপর যা হল…

এই ঘটনাটি আদতে ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের ক্রসিং রিপাবলিক থানা এলাকায়। ওই থানার পুলিশ টিম ডাকাতির অভিযোগে গ্রেফতার করে দুই অভিযুক্তকে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে ওই অভিযুক্তদের কাছ থেকে সোনার চেন, ৩২০০ টাকার অন্যান্য লুঠের সামগ্রী এবং স্কুটি উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজিয়াবাদের ক্রসিং রিপাবলিক থানা এলাকার অজনারা মার্কেটে এক মহিলার গলা থেকে সোনার চেন ছিনতাই হয়। এই বিষয়ে একটি মামলা দায়ের হয়। চুরি যাওয়া চেন উদ্ধার এবং ছিনতাইবাজদের গ্রেফতার করার জন্য দল গঠন করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিসিটিভি ক্যামেরা পরীক্ষা করা হয়, তখন জানা যায় যে, এই কাজে জড়িত রয়েছে এক মহিলাও। আর অভিযুক্ত সেই মহিলা স্কুটিতে চেপে যাতায়াত করত। এরপর আশপাশের মানুষের থেকে তথ্য নিয়ে সিসিটিভি পরীক্ষা করে এবং নজরদারি চালিয়ে অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়।

আরও পড়ুন– ঘূর্ণিঝড়েই পরিণত হয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ! ‘ফেনজল’-এর অবস্থান এখন কোথায়? জেনে নিন

ওই ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত বিবেক পাণ্ডে পাণ্ডব নগর স্কার্ডি গ্রিন সোসাইটির বাসিন্দা। যদিও তার আসল বাড়ি অযোধ্যা জেলার গুসাইনগঞ্জ থানা এলাকার মাথিয়া গ্রামে। অভিযুক্ত বিবেক পাণ্ডের স্ত্রী কীর্তি শর্মাও এই কাজে জড়িত। ক্রসিং রিপাবলিক থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের দলটি। একটি স্কুটি, একটি ছিনতাই করা চেন এবং ৩২০০ টাকার লুঠের সামগ্রী তাদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্তও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন– সাড়ম্বরে চলছিল বিয়ে, দল নিয়ে পুলিশ হাজির হতেই বদলে গেল সব কিছু ! বিয়ে নিয়ে নির্দেশ জারি এলাকাতেও

জেরার মুখে অভিযুক্তরা জানায় যে, “আমরা এইচডিএফসি ক্রেডিট কার্ড থেকে লোন নিয়েছিলাম। যার ইনস্টলমেন্ট সময়ে পরিশোধ করা হয়নি। আর ব্যাঙ্ক সেই টাকা রিকভার করার জন্য আমাদের উপর ক্রমাগত চাপ দিচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে টাকার প্রয়োজনে আমরা এক মহিলার কাছ থেকে সোনার চেন ছিনতাই করি। এর আগে আমরা ইস্ট গ্লোরিয়া মার্কেট ক্রসিং রিপাবলিকের কাছে এক মহিলার কাছ থেকে সোনার চেন ছিনতাই করেছি। একপ্রকার বাধ্য হয়েই পথচলতি মানুষের কাছে অত্যন্ত সস্তায় আমরা চেনটি বিক্রি করে দিয়েছি।”

বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/

Ghaziabad Crime News: লোন পরিশোধ করা যাচ্ছিল না, ব্যাঙ্ক থেকেও আসছিল চাপ; এরপর যা কাজ শুরু করল দম্পতি… পুলিশের চক্ষুও চড়কগাছ !



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর