ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রীয় মসজিদে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রোববার (৫ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) জানাজা অুনষ্ঠিত হয়েছে।
ইরানের লাখো মানুষ এ জানাজায় অংশ নেন। ছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, স্পিকারসহ সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। ইরানের সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, দেশটির অন্যতম জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারের চার সদস্যের জানাজায় ইমামতি করেছেন।
গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) জানিয়ে দেয়া হয়েছিল যে মোজতবা খামেনি পিতার জানাজা পড়াবেন না। তবে তার অন্য তিন ভাই মেইসাম, মাসুদ এবং মুস্তফা বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন। তাদেরকে জানাজা নামাজের সামনের সারিতেই দেখা গেছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার চার মাসেরও বেশি সময় পর, দেশটিতে তার জন্য ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোকপালন ও শেষ বিদায়ের শোভাযাত্রা ঘোষণা করা হয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই জানাজা উপলক্ষে শুক্রবার থেকেই তেহরান মসজিদে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়। শুক্রবার থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সাবেক এই আয়াতুল্লাহর মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়।
শনিবার (৪ জুলাই) সকাল স্থানীয় সময় ভোর ছয়টায় তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, সেখানে দর্শনার্থীরা রোববার বিকেল পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন।
ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই নিহত হয়েছিলেন ইরানের সবোর্চ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
হামলায় আলী খামেনি ছাড়াও তার জামাতা এবং নাতনিসহ পরিবারের আরও বেশ কয়েকজন সদস্য প্রাণ হারান।
এরপর মোজতবা খামেনিকে ইরানে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।