শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

ছেলের অনলাইনে পরীক্ষার সময় জীবনের পরীক্ষায় হেরে গেলেন মা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩২২ সময় দেখুন
ছেলের অনলাইনে পরীক্ষার সময় জীবনের পরীক্ষায় হেরে গেলেন মা


ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: অনলাইনে পরীক্ষা চলছে। কিছু সময় পার হলো। হঠাৎ দেখলেন, ছটফট করতে করতে ঢোলে পড়লেন মমতাময়ী মা! পরিদর্শকের অনুমতি নিয়ে অনলাইন থেকে লিভ নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই জানালেন, মা আর বেঁচে নেই।— এমনই এক বেদনাবিধুর পরিস্থিতির সাক্ষী হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা।

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সহপাঠীদের সঙ্গে অনলাইন পরীক্ষায় বসেছিলেন বিভাগটির ১৪তম ব্যাচের ছাত্র রাজীব মোহাম্মদ। পরীক্ষা শুরুর পর আধঘণ্টা পার হয়েছে; ঠিক তখনই কর্তব্যরত পরিদর্শকের কাছে মায়ের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে পরীক্ষা ত্যাগের (লিভ) অনুমতি চাইলেন রাজীব। লিভ নেওয়ার পর দেখলেন মা মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন। কিছুক্ষণ পর ফোন করে কর্তব্যরত শিক্ষককে রাজীব কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানালেন, ‘মা আর বেঁচে নেই।’

এই ঘটনায় পুরো বিভাগজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজীবের বন্ধুরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ও তার পরিবারের জন্য শোক প্রকাশ করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রাজীবের সহপাঠী একই ব্যাচের আল আমিন সরকার লিখেছেন, ‘অনলাইন পরীক্ষা চলছিল। প্রায় ৩০ মিনিট অতিক্রান্ত হয়েছে এমন অবস্থায় হঠাৎ কান্নার শব্দ পেলাম। ডিসপ্লেতে তাকিয়ে দেখি বন্ধু রাজীবের চোখে পানি। রাজীব বলতেছে, ম্যাম, ম্যাম….., ম্যাম, আমি কি লিভ নিতে পারি? আমার মায়ের কী যেন হয়েছে।’

আল আমিন আরও লেখেন, ‘আমরা পরীক্ষা শেষ করে একটা ফুরফুরে মেজাজে হাসিখুশিতে মেতে উঠতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বন্ধুর জীবনে কত বড় পরীক্ষা হয়ে গেল। মৃত্যু কত নিষ্ঠুর। কখন ডাক আসবে কেউ জানে না। আল্লাহ উনাকে জান্নাত দান করুক এবং আমার বন্ধু ও তার পরিবারকে যেন ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক দান করেন, আমিন।’

সারাবাংলা/আরআইআর/পিটিএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর