শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

মৌলভীবাজারে ‘সূত্রহীন’ খুনের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২ – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ১২০ সময় দেখুন
মৌলভীবাজারে ‘সূত্রহীন’ খুনের রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ২ – Corporate Sangbad


আইন-আদালত

তিমির বনিক, ষ্টাফ রিপোর্টার: মৌলভীবাজারের জুড়ী থানায় মৃত্যুর ৩ মাস পর ক্লু-লেস একটি হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিকটিম শাহানা বেগমকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যার দায়ে তার প্রেমিক লালন পাশী এবং দুলাভাই উজির মিয়া ওরফে লালুকে গ্রেপ্তার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদের মধ্যে আসামি লালন পাশী এই হত্যাকাণ্ডে নিজের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, গত বছরের ২৬ শে অক্টোবর জুড়ী থানার আওতাধীন শিলুয়া চা বাগানের জনৈক আরমান আলীর মেয়ে শাহানা বেগম (২৬) বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের তিনদিন পর ২৯ অক্টোবর ২০২২ বাংলাদেশ ভারত সীমান্তবর্তী এলাকার জুড়ি থানাধীন তালগাং নদীতে নিখোঁজ শাহানা বেগমের অর্ধ গলিত লাশ পাওয়া যায়। ভিকটিমের বাবা লাশ শনাক্তের পর সে সময় বাবার করা অভিযোগের প্রেক্ষিতে জুড়ী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।

শাহানার মৃত্যুর ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে আমলে নিয়ে জুড়ী থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। হত্যাকাণ্ডের তিন মাস পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার মূল রহস্য উদঘাটন হয়।

মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান, নিহত শাহানার ৬ বছর আগে জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখোলা চা বাগানের মোঃ সিরাজ মিয়ার সাথে বিয়ে হয়। স্বামী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় বিয়ের তিন মাসের মধ্যেই বাবার বাড়িতে ফিরে আসে শাহানা। বাবার বাড়ীতে অবস্থানকালে শাহানার সাথে একই বাগানের হিন্দুধর্মের যুবক লালনপাশীর সাথে গত দুই বছর ধরে শাহানার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্কের একপর্যায়ে বেশ কয়েকবার তাদের শারীরিক সম্পর্কও হয়। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি এলাকাবাসীসহ তার দুলাভাই জানতে পেরে তাদের প্রতি ক্ষিপ্ত হন। অন্যদিকে ভিকটিম শাহানার সাথে তার দুলাভাই উজির মিয়াও জোরপূর্বক শারীরিক মেলামেশার চেষ্টা করে। শারীরিক সম্পর্ক গড়তে ব্যর্থ হয়ে প্রেমিক লালনের সহায়তায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। হত্যার পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রেমিক লালন পাশী ও দুলাভাই উজির মিয়া ঘটনার দিন মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে শাহানাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে। হত্যার পর প্রেমিককে কিছু না জানানোর জন্য বলে উজির মিয়া।

আসামি লালন পাশী প্রেমিকা শাহানা বেগমকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করে আজ শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর