শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

উপহারের টাকা এখনও পাননি শিক্ষকেরা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ৩৫০ সময় দেখুন
উপহারের টাকা এখনও পাননি শিক্ষকেরা


তুহিন সাইফুল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: গত ঈদুল ফিতরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহারের টাকা পেয়েছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নন-এমপিও শিক্ষকেরা। সেই অর্থ ছাড়ও হয়েছিল। তবে উপহারের এই টাকা এখনও শিক্ষকদের হাতে পৌঁছায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপহার হিসেবে ৭৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা বরাদ্ধ পেয়েছেন নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা। এখানে প্রত্যেক শিক্ষক মাথাপিছু পাঁচ হাজার টাকা এবং কর্মচারীরা আড়াই হাজার টাকা পেতেন। যা ছাড়ের এক সপ্তাহের মধ্যে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটি করা হয়নি।

শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, সবাই টাকা পাননি- এমনটা না। তবে শিক্ষকদের বড় একটি অংশ এই টাকা এখনও পাননি। এর কারণ জাতীয় পরিচয়পত্র আর ফোন নম্বরের ভুল। তারা বলছেন, ভুল নম্বরে টাকা দেওয়া হলে তা থেকে আরও বড় ঝামেলা তৈরি হতো, তাই টাকা দিতে ভুল সংশোধন করা হচ্ছে।

তারা বলছেন, অনেক শিক্ষক আছেন যাদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নেই। তারা পরিচিত জনের নম্বর দিয়েছেন নিজেদের পরিচয়পত্রের বিপরীতে। জটিলতা এখানেই শুরু হয়েছে। অর্থ বিতরণ করতে গিয়ে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। শিক্ষকেরা যথাযথভাবে সহযোগিতা করলে এই বিভ্রান্তি তৈরি হতো না।

তবে যাদের তথ্যে কোন ভুল ছিল না, তারা সবাই টাকা পেয়েছেন। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টাকা পেয়েছেন ১০ হাজার ৫৭৯ জন শিক্ষক, দুই হাজার ৩১৫ জন কর্মচারী। এছাড়াও কারিগরি বিদ্যা প্রতিষ্ঠানের ৯১ জন শিক্ষক এবং ৯৮ জন কর্মচারী এ অনুদানের টাকা পেয়েছেন।

মাদরাসায় উপহার পাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের সংখ্যা ১৭ হাজার ২৩৫ জন। সব মিলিয়ে এক লাখ ৬৭ হাজার ২২৫ জনের মধ্যে ৩০ হাজার ৩৪৮ জন অনুদানের টাকা পেয়েছেন। টাকা পাননি এক লাখ ৩৬ হাজার ৮৭৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী। যা মোট শিক্ষকের ৮০ শতাংশেরও বেশি।

মাউশির প্রশাসন ও অর্থ বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষকদের ডাটাবেজ করতে গিয়ে তারা বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন। কারণ তথ্যের অমিল। এখন আবার নতুন করে এসব কাজ করতে হচ্ছে তাদের।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, অনেক শিক্ষক আছেন যারা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট খুলতে রাজি না। অনেকের আবার জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেছে বা অন্য কোনো সমস্যা আছে। এসব সমস্যা বিবেচনায় একসঙ্গে টাকা পাঠানো সম্ভব হয়নি। এখানে আমাদের কিছুই করার ছিল না। অনেক শিক্ষকের দেওয়া তথ্যে ঘাটতি রয়েছে, ভুল রয়েছ। এসব যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করা হবে। এরপর সবার মোবাইলে টাকা চলে যাবে। বিষয়টি মন্ত্রণালয় অবগত রয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সারাবাংলা/টিএস/এসএসএ





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর