শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

রোজার আগে ঘরে যে প্রস্তুতি নেবেন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩
  • ১২৭ সময় দেখুন
রোজার আগে ঘরে যে প্রস্তুতি নেবেন


তামান্না সুলতানা

পবিত্র রমজান মাস একেবারেই দ্বারপ্রান্তে। সারাবিশ্বের মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের জন্য এ মাসটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ মাস ত্যাগের মাস। ইবাদত-বন্দেগির মাস। ধর্ম নির্দেশিত পথে চলে এ মাসটি পালন করা প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য।

সিয়াম সাধনার জন্য নির্ধারিত এ মাসটি বছরের অন্য মাসগুলোর মতো নয়। এ মাসের জন্য নির্ধারিত উপবাস, সারাবাছরের রুটিনকে এলোমেলো করে দেয়। নতুন রুটিনের সঙ্গে নিজেকে অভ্যস্ত করতে অনেকেরই বেশ সময় লেগে যায়। তাই এ মাসের জন্য আধ্যাত্মিক প্রস্তুতি যেমন দরকার তেমনি ঘর সামলানোর জন্যও দরকার কিছু নির্ধারিত প্রস্তুতির। রমজান আসার আগে প্রস্তুতি মানে খাবারের বিশাল সমাহার সংগ্রহের প্রস্তুতি নয়; বরং আত্মিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করাই মূল বিষয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু মানুষ আত্মিক প্রস্তুতি বাদ দিয়ে খাবারের আয়োজনের দিকেই বেশি ঝুঁকে পড়েন। যা ইসলামে সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা আছে।

মাসটি ইবাদত-বন্দেগীর। এই মাসে তাই সঠিক পরিকল্পনা করে কাজের চাপ সামলে চাপমুক্ত হয়ে ইবাদত করা কর্তব্য। এতে নির্দিষ্ট সময়ে সময়ের কাজ হবে সহজেই। পাশাপাশি কিছু আগাম প্রস্ততি নিয়ে রাখলে আপনার ঘরও থাকবে সুশৃঙ্খল। আর ঘর সুশৃঙ্খল রাখলে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আপনি ইবাদতের মাধ্যমে আপনার কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে পারবেন।

জেনে নেই রোজার আগে কোন প্রস্তুতিগুলো নিয়ে রাখবেন-

খাবার

আপনার রোজার মাসের খাবারের তালিকা স্বাভাবিকভাবেই অন্য মাসের তুলনায় আলাদা হয়। তাই আগেভাগেই এ আলাদা তালিকায় রোজার মাসের বাজার বা পরিকল্পনা গুছিয়ে রাখতে পারেন। তবে বাড়তি খাবার মজুত করার প্রয়োজন নেই। কেবল যা যা আপনি আলাদাভাবে যুক্ত করতে চাচ্ছেন তার একটা তালিকা তৈরি করে নিন।

অনেক সময় রোজা রেখে খুব বেশি কাজ করা সম্ভব হয় না। সে কারণে আগেভাগে বাজার করে রাখতে পারলে রোজার সময় কষ্ট করতে হবে না।

বাজারের পরিকল্পনা করুন অপনার পরিবারের সব বয়েসী সদস্যের কথা মাথায় রেখে। কারণ রোজার পরিবর্তিত সময়ে বিভিন্ন বয়েসী সদস্যের প্রয়োজন ভিন্ন ভিন্ন হওয়াটাই স্বাভাবিক। বাজার করার সময় তালিকায় থাকা খাবারে পুষ্টিগুন ও সুষম খাবারের কথা বিবেচনায় রাখুন।

ওষুধ

রোজায় কেবল খাবারের নির্ধারিত সময়েই নয়, ওষুধ খাবার সময়েও পরিবর্তন আসে। তাই এ সময় চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে ওষুধ খাবারের সময় নির্ধারণ করে নিন। এক্ষেত্রে শুধু রোজার মাসের জন্য পরিবারের বয়স্ক বা অসুস্থ সদস্যের ওষুধ সেবনের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে পারেন। এতে প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবনে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। পরে সেটি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন জায়গায় সাঁটিয়ে দিন।

পরিছন্ন গুছানো ঘরদোর

রোজায় দেহঘড়ি একটু অন্যভাবে চালিত হয়। এ সময়ে অনভ্যস্ত অনেকে যেমন বয়স্ক ও শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময়ে সুস্থ থাকার জন্য পরিচ্ছন্নতাটা জরুরি। এছাড়া রোজা রেখে ক্লান্ত শরীরে অনেক কাজ করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে রোজার প্রথমদিকে এমনটা ঘটে থাকে। তাই পরিচ্ছন্নতার কিছু কাজ আগেভাগে সেরে রাখলে ভালো। যেমন বাজার গুছিয়ে রাখা, রোজার মাসের প্রয়োজনীয় জিনিস আগেই বের করে পরিষ্কার করে রাখা ইত্যাদি।

রোজার অনুষঙ্গ

খাবার-দাবারের পাশাপাশি আনুষাঙ্গিক জিনিস যেমন জায়নামাজ, তসবিহ, টুপি, ইত্যাদি সব কিছু পরিষ্কার করে নিতে পারেন। এ সময় বাসায় অনেক সময় বাড়তি মেহমান আসেন। সে ক্ষেত্রে চাওয়া মাত্রই হাতের কাছে জিনিসগুলো খুব সহজেই পাওয়া যায়। এছাড়া রোজার সময় নতুন করে একটু আলাদাভাবে প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও খুব ভালো কাজ করে বিষয়টি।

সময়ের আগে কাজ সারুন

রোজায় সময়ের আগে কাজ সেরে রাখলে অনেকদিক থেকেই সুবিধা পাবেন। যেমন, ইফতারির প্রস্তুতি একেবারে আগমূহুর্তে না নিয়ে কিছু কাজ এগিয়ে রাখতে পারেন। কাজটা এগিয়ে থাকলে অহেতুক তাড়াহুড়া হবে না। শান্ত, স্থিতধী মন নিয়ে আপনার ইবাদত সম্পন্ন করতে পারবেন।

শিশু ও বয়স্কদের কথা ভাবুন

রোজার মাসে স্বাভাবিক রুটিনে তারতম্য আসায় বয়স্ক ও শিশুদের কিছুটা অনুবিধা হতে পারে। আর অসুস্থদের বেলায় তো আলাদা পরিচর্যা আবশ্যক। পুরো রোজার মাসটাতেই শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। আপনি রোজা রাখছেন বলে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের প্রতি উদাসীন হওয়া একেবারেই চলবে না। তারা নিয়মিত পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার পাচ্ছে কি-না তা নিশ্চিত করতে হবে আগেই।

সারাবাংলা/এসবিডিই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর