শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

রাজধানীতে স্মার্ট এডুকেশন ফেস্টিভ্যাল শুরু

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩
  • ৯৯ সময় দেখুন
রাজধানীতে স্মার্ট এডুকেশন ফেস্টিভ্যাল শুরু


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রযুক্তির উত্তরোত্তর বিকাশ, চাকুরি বাজারের ক্রম পরিবর্তিত চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের যেকোনো পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নিজেদের প্রস্তুত করার লক্ষ্যে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী স্মার্ট এডুকেশন ফেস্টিভ্যাল ২০২৩।

সোমবার (২৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এই ফেস্টিভ্যাল উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর এই ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, স্মার্ট শিক্ষার একটি অন্যতম উদ্দেশ্য। স্মার্ট শিক্ষার মাধ্যমে তারা প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে সমস্যা সমাধানে দক্ষ হয়ে উঠবে এবং উৎপাদনমুখী সবক্ষেত্রে যোগ্য হয়ে স্মার্ট ইকোনোমি-তে অবদান রাখবে। যার ফলস্বরূপ আমরা পাব স্মার্ট সোসাইটি এবং স্মার্ট বাংলাদেশ।

রাজধানীতে স্মার্ট এডুকেশন ফেস্টিভ্যাল শুরু

তারা আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উন্নয়ন দর্শন ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আমরা কতটা সমৃদ্ধ হব, তা নির্ভর করবে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার উপর। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের জীবন-জীবিকার গতানুগতিক ধারণাকে পাল্টে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমরা স্বপ্ন দেখি, স্মার্ট বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক হবে বৈশ্বিক নাগরিক। যেখানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রের জন্য যেমন উপযুক্ত ও দক্ষ করে গড়ে তুলবে, তেমনি আমরা গড়ে তুলতে পারব সৃজনশীল ও মানবিক মানুষ।

বক্তারা বলেন, স্মার্ট শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে স্মার্ট বাংলাদেশের ভিত। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে স্মার্ট শিক্ষা একটি সুদূর প্রসারী অভিযাত্রা, গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে আমরা একটি লক্ষ্য পূরণের অভিযাত্রায় মিলিত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে যে স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন সেখানে স্মার্ট শিক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি পিলার- ‘Smart Citizen, Smart Government, Smart Society, Ges Smart Economy’। এগুলোর প্রত্যেকটির সঙ্গেই স্মার্ট শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে।

২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা কতদূর এগিয়ে যাব। সকলের অংশগ্রহণমূলক আলোচনা, ভাবনা, পারদর্শিতা এবং সুবিবেচনা স্মার্ট শিক্ষার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণে আমাদের পথ দেখাবে বলে উল্লেখ করেন বক্তরা।

উল্লেখ্য, এই তিন দিনের ফেস্টিভ্যালে ২০টি স্মার্ট শিক্ষা কার্যক্রম প্রদর্শন ও ১০টি সেমিনারে সকল শ্রেণিপেশার মানুষের অংশ নেবে।

সারাবাংলা/জেআর/পিটিএম





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর