শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে শিল্পাঞ্চল পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পর অনেকটায় স্বাভাবিক কর্ণফুলীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৫৩৫ অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইরান, গাজা, ইউক্রেনের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয়ের মানে কী Ramayana Box Office Collection Day 1: Ranbir Kapoor, Yash’s Film Mints Rs 64.85 Crore On Opening Day | Bollywood News ‘Ordinary bowler’: Ex-India captain slams CSK’s ‘confusing’ trade, says SRH are the real winners | Cricket News শিল্পকারখানায় অস্থিরতা সৃষ্টিতে পলাতক আ.লীগের ইন্ধন রয়েছে: রিজভী মইজ্জ‍্যারটেকে আবাসিক হোটেলের আড়ালে দেহ ব্যবসার অভিযোগ ‎শ্যামনগরে লবণাক্ততা নিরসন ও কৃষি অভিযোজনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

মা হওয়ার পর ৭টি অভ্যাস ধরে রাখুন

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১২৭ সময় দেখুন
মা হওয়ার পর ৭টি অভ্যাস ধরে রাখুন


লাইফস্টাইল ডেস্ক

গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়া এবং মোটা হয়ে যাওয়া একটি স্বাভাবিক ঘটনা। সন্তান জন্মের পর এই বাড়তি ওজন কমানো কঠিন বলে মনে করেন অনেকেই। কিন্তু সত্যটা হল, একটুখানি সচেতন থাকলেই সন্তান জন্মের পর দ্রুত ও সহজেই ওজন কমিয়ে নিজের আগের আকৃতি ও ওজন ফিরিয়ে এনে ফিট আর সুস্থ থাকা সম্ভব।

গর্ভাবস্থায় সন্তানের পুষ্টির জন্য মাকে বেশি খাবার খেতে হয়। তাই এসময় পেটে, কোমরে ও শরীরের নিচের অংশে মেদ জমে যায়। গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিকভাবে মায়ের ওজন বেড়ে যায় ১১ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত। সন্তান জন্মের সময় ৪ থেকে ৬ কেজি ওজন কমে। আর বাড়তি ওজন কমতে প্রসবের পর সাধারণত ৬ মাস লেগে যায়। কিন্তু কোন কারনে যদি ৬ মাস পরও মেদ থাকে এবং আরও ওজন বাড়ে তাহলে অবশ্যই মাকে সচেতন হতে হবে। কারণ বাড়তি ওজনের ফলে পরবর্তীতে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গর্ভাবস্থায় বাড়তি ওজন কমাতে হলে ক্র্যাশ ডায়েট করা যাবে না। এতে মা ও সন্তান দুজনেরই ক্ষতি হবে। বরং নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে ও খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখতে হবে।

আসুন জেনে নেই সন্তান জন্মের পর শরীরের ওজন কমাতে কী কী করতে হবে—

সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ান

জন্মের ৬ মাস পর্যন্ত শিশু মায়ের বুকের দুধ খায়। সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের শরীর থেকে সারাদিনে ২০০ থেকে ৫০০ ক্যালোরি খরচ হয়। শিশু যতবার চায় ততবার তাকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। যা ওজন কমাতে সহায়ক। তবে সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে মাকে প্রয়োজনের তুলনায় খুব বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে হবে- এমন ধারণা ভুল। ডাক্তারের পরামর্শমতো ক্যালরি গ্রহণ করতে হবে।

ব্যায়াম করুন

সন্তানকে বেশি সময় দিতে গিয়ে নিজের কথা ভুলেই যান অনেকে। ব্যায়াম করার সময় পান না। যার কারনে ওজন বেড়ে যায়। ব্যায়াম শুধুমাত্র ওজন কমায় না। মানসিক প্রশান্তি যোগাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন অল্প সময়ের জন্য ব্যায়াম করার অভ্যাস করতে হবে। প্রথমে ২০ মিনিট হাঁটা দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। এরপর প্রতি সপ্তাহে ৫ মিনিট করে হাঁটার সময়টা বাড়ান। নিয়মিত হাঁটার পাশাপাশি সাঁতার ও যোগব্যায়ামও ওজন কমাতে বেশ কার্যকর। স্বাভাবিক প্রসবের অন্তত দেড় মাস পর এবং সিজারিয়ান প্রসবের ২ মাস পর থেকে ব্যায়াম শুরু করতে হবে। ব্যায়াম করার সময় অবশ্যই ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে। ব্যায়াম করলেই দ্রুত ওজন কমে যাবে না। অন্তত ২ থেকে ৩ মাস নিয়মিত ব্যায়াম করলে ওজন আস্তে আস্তে কমতে শুরু করবে। ব্যায়াম শুরু করার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং কোন ধরনের ব্যায়াম আপনার উপযোগী তা অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে জেনে নেবেন।

খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখুন

সন্তান জন্মের পর চিকিৎসকের দেওয়া ডায়েট চার্ট মেনে খাবার খেতে হবে। প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খেতে হবে। সকালের নাস্তা কখনোই বাদ দেয়া যাবে না। বরং সকালে ভারি নাস্তা খেতে হবে। সকালে পেটভরে নাস্তা খেলে সারাদিন ক্ষুধা কম লাগবে। দুপুর ও রাতে তুলনামূলক কম খেতে হবে। দুপুর ও রাতের খাবারে শাকসবজি, মাছ, ডাল, মাংস খেতে হবে। তবে সবকিছুই খেতে হবে ডায়েট চার্ট মেনে। সকালে নাস্তার পর দুপুরের খাওয়ার মাঝে ফল খেতে পারেন। বিকেলে হালকা নাস্তা খেতে হবে।

মাসাজ নিন

বিভিন্ন স্পা ও ওয়েলনেস সেন্টারে বডি মাসাজ দেয়া হয়। এছাড়া বাসাতেও দক্ষ লোককে দিয়ে মাসাজ করিয়ে নিতে পারেন। মাসাজ শরীরের ব্যাথা দূর করে, রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে, মেটাবলিজম বাড়ায়, ক্লান্তি কাটায় এবং শরীরের আগের আকৃতি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত ঘুমান

পর্যাপ্ত ঘুম ওজন কমাতে সহায়তা করে। কম ঘুমালে শরীরে ক্লান্তি থেকে যায়। এই ক্লান্তি কাটাতে অনেকে বেশি খেয়ে ফেলেন। যার কারনে ওজন বেড়ে যায়। সন্তান জন্মের পর মায়েরা ঘুমানোর সময় পান না। তারপরও মাকে খানিকটা সময় বের করে নিতে হবে ঘুমানোর জন্য।

ফাস্ট ফুড ও মিষ্টি বাদ দিন

ফাস্ট ফুড একেবারেই খাওয়া যাবে না। মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। আর প্রচুর পানি খেতে হবে। পানি অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। রান্নায় মসলা কম দিতে হবে। সেদ্ধ ও কম তেলে রান্না করা খাবার খেতে হবে।

ক্রাশ ডায়েট করবেন না

পরিমিত না খেয়ে ডায়েট করা যাবে না। এতে শরীরের চর্বির চেয়ে মাংসপেশি ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া সুষম খাবার না খেলে পুষ্টির অভাবে মা ও সন্তানের নানা রোগ দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ডায়েটে ওজন সাময়িকভাবে কমলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

সারাবাংলা/এসবিডিই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর