শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন

আন্দোলনে চবি শিক্ষক সমিতি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১১২ সময় দেখুন
আন্দোলনে চবি শিক্ষক সমিতি


চবি করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসনের অনিয়ম-অসঙ্গতি, স্বেচ্ছাচারী কার্যক্রম ও চরম প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা সহ ২৯টি অভিযোগ তুলে ধারাবাহিক আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) ও আগামীকাল বুধবার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে শিক্ষক সমিতি।

এরপর বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে সংগঠনটি। গত রোববার (২৯ অক্টোবর) রাতে পাঠানো এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব বিষয়ে জানায় সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক সমিতির তোলা অভিযোগগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সিন্ডিকেটে ডিন, প্রভোস্ট এবং একাডেমিক কাউন্সিলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন না দেয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অডিও কেলেঙ্কারিতে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত মামলা করে নিয়োগ-বাণিজ্য চক্রের সাথে যুক্তদের খুঁজে বের করার কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করা, বিভিন্ন বিভাগ/ইনস্টিটিউটের শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি বোর্ডে সংশ্লিষ্ট বিভাগ/ইনস্টিটিউট-সমূহের জ্যেষ্ঠ ও খ্যাতিমান শিক্ষকদের বাদ দিয়ে সম্পর্কযুক্ত না হওয়ার পরও বিভিন্ন বিভাগের জন্য প্রশাসন-ঘনিষ্ঠ কিছু শিক্ষকের সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচনী বোর্ড পুনর্গঠন না করা, আবেদনপত্রে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগসহ নানান কারণে বিতর্কিত আবেদনকারীদেরকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দানের জন্য সুপারিশ করা, প্রয়োজন না থাকা সত্বেও ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা অমান্য কতে বিভিন্ন বিভাগ/ইন্সটিটিউটে এড-হক/মাস্টার রোল/দৈনিক ভিত্তিতে গণহারে স্থায়ী ও অস্থায়ী ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ ইত্যাদি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক বলেন, ‘আমরা এখানে ২৯টি বিষয় উল্লেখ করেছি এবং এতে একটার চাইতে আরেকটাকে কম গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এসব অনিয়ম-দুর্নীতি চলে আসতেছে। বিভিন্ন সময় দাবির প্রেক্ষিতে আমাদের আশ্বাস দিলেও তা পূরণের কোনো উদ্যোগ প্রশাসন নেয়নি। সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে এবং এক প্রকার অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলা যায়। এসব বিষয় বিবেচনা করেই আমরা ধারাবাহিক কর্মসূচি নিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপাতত ৩ দিনের কর্মসূচি দিয়েছি। এরপরও সমাধান না হলে শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

সারাবাংলা/এমএ/এমও





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর