ঢাবি করেসপন্ডেন্ট
ঢাবি: একঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক তিনটি স্থানে তিনদফা ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের প্রবেশপথগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না কোনো বহিরাগতদের।
শনিবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সন্ধ্যা সাতটায় চানখারপুলে এলাকায় একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এর আধা ঘণ্টা পরে কার্জন হল সংলগ্ন দোয়েল চত্বর এলাকায় ঘটে আরও একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
সর্বশেষ রাত আটটা পাঁচমিনিটের দিকে নীলক্ষেত সংলগ্ন মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ সংলগ্ন এলাকায় পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নীলক্ষেত এলাকার ঘটনায় একটি অবিস্ফোরিত ককটেলও উদ্ধার করা হয়।
শাহবাগ থানার ওসি মোস্তাজিরুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, এগুলোর কোনোটির ব্যাপারেই আমি অবগত নই। তিনি। বিস্ফোরণের ঘটনা আমার জানা নেই।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জানিয়েছেন—ইতোমধ্যেই ক্যাম্পাসে প্রবেশের সব ফটকেই জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ঢাকা-৮ আসনের আওতায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মোট নয়টি আসনের ভোটার ব্যতীত বহিরাগতদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না ক্যাম্পাসে।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাকসুদুর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে চারস্তরের নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা সতর্ক আছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই এলাকার কেন্দ্রগুলোর ভোটার ব্যতিত অন্যকাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নীলক্ষেত-সংলগ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছে পরপর চারটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রসঙ্গত, গতবছর নভেম্বর মাসে পরপর দুইদিন বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে প্রক্টরিয়াল টিম। এ ছাড়া আরও কয়েকবার বিচ্ছিন্নভাবে ককটেল বিস্ফোরণের সংবাদ শোনা যায় ডিসেম্বর মাসে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে এই ধরনের ঘটনা বেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে।
সারাবাংলা/আরআইআর/এনইউ