বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন

পশ্চিমবঙ্গে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২
  • ১৯২ সময় দেখুন
পশ্চিমবঙ্গে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার – Corporate Sangbad


কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের হাজার কোটি টাকা লোপাটের মূলহোতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) আরও ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ মে) তিন দিনের রিমান্ড শেষে কলকাতা নগর দায়রা আদালতে তাকে হাজির করে আরও ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আদালত তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ভারতে আরও ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

এর আগে আজ পি কে হালদারসহ পাঁচ জনকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুনানির পর আদালত রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে তার স্ত্রীকে ১০ দিনের জন্য জুডিশিয়াল কাস্টডি বা বিচারিক হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে সরকার পক্ষের আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, এদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলা করা হয়েছে। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পি কে হালদারের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, পি কে হালদার নাম পাল্টে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন। সেখানে শিবশঙ্কর হালদার পরিচয়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব নেন তিনি। এ ছাড়া ভারতে একাধিক অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন তিনি। অবশেষে শনিবার (১৪ মে) অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অ্যানফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

তাকে গ্রেফতারের পর এক বিবৃতিতে ইডি বলেছে, হাজার কোটি টাকা পাচারকারী পি কে হালদার নাম পাল্টে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে বসবাস করতেন। প্রদেশের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অশোক নগরের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। তিনি শিবশংকর হালদার নামে নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। বানিয়ে ফেলেছিলেন ভারতীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, রেশন কার্ডসহ বিভিন্ন ভারতীয় নথি। সেখানে তিনি নিয়মিত ভোট দিতেন, নিযুক্ত ছিলেন সরকারি চাকরিতেও। কিন্তু গত ১৪ মে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে ধরা পড়েন তিনি। তার সঙ্গে গ্রেফতার হয়েছেন আরও পাঁচ জন।

উল্লেখ্য, পি কে হালদার দেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দুদক তার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা করেছে। এসব মামলায় এক ডজনেরও বেশি ব্যক্তি কারাগারে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর