নিজস্ব প্রতিবেদক : সারাদেশে অনিবন্ধিত ক্ষুদ্রঋণদানকারি প্রতিষ্ঠান ও সমবায় সমিতিগুলো অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ ছাড়া চড়া সুদে ঋণদানকারী স্থানীয় মহাজনদের তালিকা দিতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি জাকির হোসেনের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ফিন্যান্স মন্ত্রনালয়কে আদেশ পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে কমিটি গঠন করতে আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।
তালিকা করার সাথে সাথে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে বলে আদেশ হাইকোর্টের। একইসাথে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে হাইকোর্টে। ৪৫ দিনের মধ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কারা এ ধরনের ঋণ বিতরণ করে তাদের চিহ্নিত করতে নির্দেশ হাইকোর্টের।
একইসাথে এ ধরনের দাদন ব্যবসা ও চড়া সুদের প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধে ফিন্যান্স মিনিস্ট্রি, মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল দিয়েছে হাইকোর্ট।
এখন পর্যন্ত দেশে ৭৪৬টি নিবন্ধিত ক্ষুদ্র ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে দেশে। আগামী ৩০ নভেম্বর এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি।
আবেদনে অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ ১৩৬ ব্যক্তিকে বিবাদী করা হয়েছে।