মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন

আয়াতুল্লাহ খামেনিকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৯ সময় দেখুন
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষ


ইরানে দুই দিনব্যাপী হওয়া বিদায় অনুষ্ঠানের পর সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন নেওয়া হবে রাজধানী তেহরানের আজাদি স্কয়ারে। এ উপলক্ষ্যে তেহরানে বিশাল জনাসগম শুরু হয়েছে।

আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (৬ জুলাই) সবচেয়ে বড় জনসমাগম আবার তেহরানেই হবে। কারণ, সর্বসাধারণের শেষশ্রদ্ধা জানানোর জন্য আয়াতুল্লাহ আলীর কফিন শহরের আজাদি স্কয়ারে নেওয়া হবে।

ইরানের আধা-সামরিক সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ এবং প্রেস টিভি জানিয়েছে, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে তেহরানের রাস্তায় লাখ লাখ শোকাহত মানুষ সমবেত হয়েছেন।

প্রেস টিভি জানিয়েছে, দেশটির কর্মকর্তারা এই ঘটনাকে ‘দেশের আধুনিক ইতিহাসে বৃহত্তম জনসমাবেশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তাসনিম নিউজ এজেন্সি আরও জানিয়েছে, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন বহনকারী গাড়িটি শোকাহত মানুষের ভিড়ের মধ্যে দিয়ে এখন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পথে প্রবেশ করেছে।

গতকাল রোববার (৫ জুলাই) তেহরানে ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়াতুল্লাহ আলীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার জানাজায় লাখো শোকার্ত মানুষ অংশ নেন।

দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, তেহরানে আজ বেশ কয়েক মাইল দীর্ঘ শোকমিছিল হবে। ইমাম হোসেন স্কয়ার থেকে আজাদি স্কয়ার পর্যন্ত এই শোকমিছিলে লাখো মানুষ অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তেহরানে আজকের শোকমিছিল শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আয়াতুল্লাহ আলীর মরদেহবাহী কফিন নিয়ে যাওয়া হবে শিয়াদের পবিত্র কোম নগরীতে।

পরদিন বুধবার (৮ জুলাই) আয়াতুল্লাহ আলীর কফিন নেওয়া হবে প্রতিবেশী দেশ ইরাকে। দেশটির নাজাফ ও কারবালা শহরে শোকযাত্রা হবে। সেখানে শোকাহত মানুষ তার প্রতি শেষশ্রদ্ধা জানাবেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠিত হবে জানাজা।

পরে আয়াতুল্লাহ আলীর মরদেহ তার জন্মস্থান ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে ফিরিয়ে আনা হবে। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাশহাদে শেষশয্যায় শায়িত করা হবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার প্রথম দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। যুদ্ধের কারণে চার মাসের বেশি সময় পর রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের দাফন হচ্ছে। গত শুক্রবার শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

জানাজা ও শোকানুষ্ঠান উপলক্ষ্যে গতকাল রোববার ও আজ সোমবার ইরানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

 





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
Ads by coinserom