বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন

জুরাইনে পুলিশের ওপর হামলা: যেই অপরাধ করুক বিচার হবে – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০২২
  • ১৮৯ সময় দেখুন
জুরাইনে পুলিশের ওপর হামলা: যেই অপরাধ করুক বিচার হবে – Corporate Sangbad


কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : সম্প্রতি রাজধানীর জুরাইনে মোটরসাইকেল আরোহী এক দম্পতির সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে ট্রাফিক সার্জেন্টসহ পুলিশ সদস্যদের ওপর স্থানীয় লোকজনের হামলার ঘটনায় পুলিশ কিংবা আইনজীবী যেই অপরাধ করুক, তার বিচার হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) ওই ঘটনার মামলায় দুই আইনজীবীর রিমান্ড মঞ্জুরের পর মামলার নথি তলব করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতের বিষয়ে শুনানির সময় এ মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ।

রিটের পক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশে আপিল বিভাগ বলেন, আপনারা বিচারিক আদালতে দুই আইনজীবীর জামিন আবেদন করুন। তারা জামিন না দিলে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করুন। হাইকোর্টে জামিন না দিলে তারপর আমরা দেখবো।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, পুলিশ অপরাধ করলে তার বিচার হবে, আর যদি আইনজীবী অপরাধ করে তারও বিচার হবে।

আদালতে আইনজীবীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মুরাদ রেজা, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার অনিক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন।

পরে রোববারের মধ্যে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষকে লিভ টু আপিল করতে নির্দেশ দেন এবং শুনানি মুলতবি করেন আদালত।

গত ১২ জুন এ মামলায় দুই আইনজীবীকে রিমান্ডে নেওয়ার ঘটনায় মামলার নথি তলবের আদেশ স্থগিত করেন চেম্বার আদালত। ৮ জুন মামলায় দুই আইনজীবীসহ ৫ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত।

রিমান্ডের আদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন- শিক্ষানবিশ আইনজীবী সোহাবুল ইসলাম রনি, তার শ্যালক আইনজীবী ইয়াসিন আরাফাত, স্থানীয় বাসিন্দা মো. শরীফ, মো. নাহিদ ও মো. রাসেল। তবে মামলার আরেক আসামি আইনজীবী ইয়াসিন জাহান ভূঁইয়া নিশানকে জামিন দেন আদালত।

পুলিশের দাবি, গত ৭ জুন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উল্টোপথে মোটরসাইকেলে যোগে রনি ও নিশান আসছিলেন। সে সময় সার্জেন্ট মোহাম্মদ আলী তাদেরকে থামিয়ে কাগজপত্র দেখতে চান। কিন্তু তারা সার্জেন্টের ওপর চড়াও হন এবং আশপাশের লোকজনকে ডেকে পুলিশের বিরুদ্ধে উসকে দেন। এছাড়া নিশানের কাছ থেকে তার ছোটভাই ইয়াসিন ফোনে খবর পেয়ে ৩৫০-৪৫০ জন লোক নিয়ে এসে সার্জেন্ট মোহাম্মদ আলীর ওপর হামলা এবং ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভাঙচুর করেন।

ঘটনাস্থলে আসা কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) উৎপল দত্ত অপু মারধরের শিকার হন। বর্তমানে সার্জেন্ট মো. আলী রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর এসআই উৎপল দত্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ ঘটনায় সাড়ে ৪০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মোহাম্মদ আলী হোসেন। মামলায় সরকারি কাজে বাধা দেয়া, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এছাড়া পুলিশের ওপর হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। সেখানে একটি ছোট ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে অনেকেই বলছেন, হয়রানির প্রতিবাদে জুরাইনের স্থানীয়রা পুলিশ সদস্যদের মারধর করেছেন।

পরের দিন ৮ জুন এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় দুই আইনজীবীসহ ৫ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এ রিমান্ড আদেশ দেন।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর