বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী আদিবাসী উৎসব বৃহস্পতিবার

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৯৭ সময় দেখুন
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী আদিবাসী উৎসব বৃহস্পতিবার


জাককানইবি: আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় শিল্প, সাহিত্য, ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিচয় ঘটাতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনব্যাপী ‘আদিবাসী উৎসব’। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ‘ইভেন্ট ও প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট’ কোর্সের ব্যবহারিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে উৎসবটির আয়োজন করা হচ্ছে। কোর্সটির তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার।

বুধবার (৪ নভেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা জানান, সকাল ১০টায় আদিবাসী নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ইসমত আরা ভূইয়া ইলা।

উৎসবে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদক-২০২৫ প্রাপ্ত উন্নয়নকর্মী, লেখক ও গবেষক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, কবি ও সাহিত্যিক পরাগ রিসিল এবং বিরিশিরির পরিচালক প্রিংসন সাংমা। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেবেন।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আদিবাসী শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে বিশেষ আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি আমন্ত্রিত আদিবাসী অতিথিদের জীবন-অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গল্প নিয়ে থাকবে ‘বহমান আমারও পদচিহ্ন’ শীর্ষক বিশেষ পর্ব।

বিকেলের আয়োজনে থাকছে আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, মারমা রূপকথা নিয়ে গল্প বলার আসর এবং আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এ ছাড়া সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেবে শব্দকুঞ্জ আবৃত্তি সংগঠন, ড্রামা চেম্বার, নজরুল ইউনিভার্সিটি ব্যান্ড মিউজিক সোসাইটি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডান্স ক্লাব ও ষড়ঙ্গ ব্যান্ড।

আয়োজনের বিষয়ে কোর্স তত্ত্বাবধায়ক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক কোর্সের অংশ হিসেবেই এ উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। কোর্সের শুরু থেকেই আমরা বেশ কয়েকটি ধারণা নিয়ে কাজ করছিলাম। সেগুলো বিশ্লেষণ করে সমাজে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা বিবেচনায় নিয়ে একপর্যায়ে আদিবাসী উৎসব আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষ নিজেদের এই পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন। তাদের সেই আত্মপরিচয় ও সংস্কৃতির প্রতি সংহতি প্রকাশের জায়গা থেকেই আমাদের এ আয়োজন।’





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর