নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য মজুতকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেই রিপোর্ট চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ২৬শে এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ সময় ওএমএস নীতিমালা অনুযায়ী সারা দেশে চাল, আটা, তেল, পেঁয়াজ, ডাল রেশন কার্ডের মাধ্যমে দিতে বলেছেন আদালত। বাণিজ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মহিদুল কবীর। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা।
গতকাল সোমবার ভোজ্যতেলে স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট মওকুফ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন আদেশ অনুসারে, পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম অয়েলে মোট ২০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার হয়েছে।
এর আগে গত রোববার (৬ মার্চ) সয়াবিন তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মনিটরিং সেল গঠন এবং নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মহিদুল কবীর ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ উল্লাহ এ রিট দায়ের করেন। বাণিজ্য সচিব, ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩ মার্চ দেশের শীর্ষ পর্যায়ের একটি জাতীয় ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সয়াবিন তেল নিয়ে করা প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন তিন আইনজীবী। পরে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে আদেশ না দিয়ে রিট করার পরামর্শ দেন। পরে রোববার (৬ মার্চ) ভোজ্যতেল সয়াবিনের দাম নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়।