বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভূঞাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত! সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় ঠাকুরগাঁও মহিলাদলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা নারী আসনে আলোচনায় নাসের রহমানের স্ত্রী রোজিনা নাসের নাগরপুরে এতিম শিশুদের সঙ্গে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ইফতার মাহফিল প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে ঠাকুরগাঁওয়ে পালিত হয়েছে দুর্যোগ প্রস্তুুতি দিবস দৌলতপুরে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা পর্যায়ে মূল্যায়ণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ : জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করুন নাগরপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত জাবি সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন স্থগিত চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি

পার্টিকাণ্ডে সমালোচিত বরিস বললেন, ‘কেউ আমাকে সতর্ক করেনি’

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৫৫ সময় দেখুন
পার্টিকাণ্ডে সমালোচিত বরিস বললেন, ‘কেউ আমাকে সতর্ক করেনি’


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে করোনাকালীন প্রথম লকডাউনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে মদ্যপানের পার্টি করে সমালোচিত বরিস জনসন। গত সপ্তাহে পার্লামেন্ট সদস্যদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। তবে এবার আত্মপক্ষ সমর্থন করে বরিস জনসন বলেছেন, লকডাউনে ঘরোয়া পার্টি করা যাবে না, এমন কোনো বিধিনিষেধের ব্যাপারে কেউ তাকে সতর্ক করেনি।

এর আগে অবশ্য বরিস জনসনের সাবেক সহকারী ডোমনিক কামিনস তার এক ব্লগে দাবি করেন, লকডাউন চলাকালে মদ্যপানের পার্টি করার ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। তবে বরিস জনসন সতর্কবার্তায় কর্ণপাত না করে তার কার্যালয়ে পার্টির আয়োজন করেন।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) উত্তর লন্ডনের একটি হাসপাতালে সফরে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করেন বরিস জনসন। এসময় তিনি কামিনসের দাবিটিকে উড়িয়ে দেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ আমাকে সতর্ক করেনি। কেউ আমাকে বলেনি যে লকডাউনের সময় মদ্যপানের পার্টি আইন বিরোধী কাজ। কেউ আমাকে বললে সেটা আমার মনে থাকত।’

২০২০ সালের মে মাসে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে একটি পার্টির আয়োজন করেছিলেন বরিস জনসন। সে সময় তার দেশে করোনাভাইরাস মহামারিকালীন কঠোর বিধিনিষেধ চলছিল। বিধিনিষেধের আওতায় সব রকমের পার্টি নিষিদ্ধ ছিল। তবে লকডাউনের সময় বিধিনিষেধ অমান্য করে ওই পার্টি করার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়। শুরুতে তা অস্বীকার করেন বরিস। পরে ওই পার্টিতে উপস্থিত থাকার কথা গত সপ্তাহে স্বীকার করে পার্লামেন্টে ক্ষমা চান তিনি। পার্লামেন্টে বরিস জনসন স্বীকারোক্তিতে জানান, ২০২০ সালের ২০ মে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সরকারি বাসায় আয়োজিত পার্টিতে শতাধিক অতিথি ছিলেন। সে সময় তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

এর বাইরেও একাধিক পার্টি করে যুক্তরাজ্যে সমালোচিত বরিস জনসন। ডিউক অব এডিনবরা এবং রানি এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্যের সন্ধ্যায় পার্টি করার খবরও প্রকাশ হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। তীব্র সমালোচনার মুখে রানির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

গোটা ঘটনার তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুক্তরাজ্যের সরকারি কর্মকর্তা সু গ্রেকে।  মঙ্গলবার উত্তর লন্ডনে এ ব্যাপারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, পার্টিকাণ্ডে পার্লামেন্ট সদস্যদের বিভ্রান্ত করার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তিনি পদত্যাগ করবেন কি না। প্রশ্নের জবাবে বরিস জনসন বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে কি আসে আগে সেটা দেখা যাক।’

আরও পড়ুন

সারাবাংলা/আইই





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর