মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কর্ণফুলীতে গভীর রাতে সরকারি গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টা বিএনপি নেতাসহ সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ইউএনওর জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী প্রতিটি ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাতিয়ায় ২০০০ লিটার চোরাই ডিজেল ও মবিল জব্দ, গ্রেফতার ১ দিল্লিতে ছাত্রাবাসধসে নিহত বেড়ে ৬, আরও শিক্ষার্থী আটকা পড়ার শঙ্কা Taapsee Pannu On Not Being Offered More Big-Scale Films Post Dunki: ‘I Lag Behind In Contacts’ | Exclusive | Bollywood News ‘Pakistan cricket on a ventilator’: Shoaib Akhtar’s brutal verdict as ‘nothing’ is expected from squad | Cricket News রাজশাহীতে এদিন’র পত্রিকার প্রতিনিধি সম্মেলন যবিপ্রবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে নিয়োগ ও পদোন্নতি জটিলতা, স্থবির একাডেমিক কার্যক্রম সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি বিল’ উত্থাপন, বিরোধীদলের ওয়াকআউট

পার্বত্য ২১৩ ভোটকেন্দ্রে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা, ২০ দুর্গম কেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭০ সময় দেখুন
পার্বত্য ২১৩ ভোটকেন্দ্রে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা, ২০ দুর্গম কেন্দ্রে বিশেষ নজরদারি

আহমদ বিলাল খান :

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় জোরদার করা হয়েছে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি। জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত ও সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যাশা করছেন।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন প্রস্তুতি সম্পর্কে পুলিশ সুপার বলেন, রাঙামাটিতে মোট ২১৩টি ভোটকেন্দ্র এবং একটি পোস্টাল ব্যালট কেন্দ্র রয়েছে। দুর্গম ভৌগোলিক বাস্তবতা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্ব অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। তিনি জানান, জেলায় উল্লেখযোগ্য ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র না থাকলেও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে ২০টি হেলিসাইট নির্ভর কেন্দ্রকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এছাড়া ১৪৯টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ এবং অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোকে সাধারণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং টিম ও স্ট্যান্ডবাই টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান পুলিশ সুপার। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ পাঁচজন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে থাকবেন, যাতে যেকোনো পরিস্থিতি দ্রুত ও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়।

পুলিশ সুপার বলেন, ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি সকল ভোটারকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর