স্থায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসা জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক যুব বর্ষ ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠা হয়ে পরবর্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, রেজিষ্টার অব জয়েন্ট ষ্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস, সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) কর্তৃক নিবন্ধিত সংস্থা হিসেবে চট্টগ্রাম বিভাগ সহ সারা দেশে এবং সরকারী প্রতিষ্ঠান পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন(পিকেএসএফ), বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন(বিএনএফ), শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের কার্যালয়(আরআরআরসি), এটুআই কর্মসূচি, জাতিসংঘ এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সহযোগি ও দাতা সংস্থার আর্থিক ও কারিগরী সহযোগিতায় বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমূহের ক্যাম্প ইন চার্জ (সিআইসি) এর সাথে নিবিড় সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সহিত ধারাবাহিক ভাবে বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। ইপসা প্রায় ২০০০ সার্বক্ষনিক কর্মকর্তা/কর্মীর মাধ্যমে উক্ত কর্মসূচিসমূহ মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করছে। ইপসা’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হচ্ছে www.ypsa.org
ইপসা ২০০১ সাল থেকে কক্সবাজারে বিভিন্ন উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম
বাস্তবায়ন করছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত মিয়ানমারের নাগরিক (এফডিএমএন) বা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদেরকে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা প্রদান করেন। এরপর থেকে ইপসা এফডিএমএন বা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে মানবিক সহায়তামূলক বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। ২০২১ সালের ২২ মার্চ তারিখে উখিয়া উপজেলার এফডিএমএন বা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া ক্যাম্প নম্বর ৮ ইস্ট, ৮ ডাব্লিউ, ৯ এবং ১০ এ ব্যাপক অগ্নিকান্ডের কারণে উক্ত ক্যাম্পসমূহে বিশাল ক্ষতি হয় এবং ৭ জন লোক মৃত্যুবরণ করেন। সে সময়ে ইপসা’র জরুরী ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র প্রকল্প অনুমোদন করে এবং ক্যাম্প পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প-ইন-চার্জ (সিআইসি) ও শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের অনুমতি গ্রহন পূর্বক ও জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার ও উপজেলা প্রশাসন, উখিয়ার সাথে সমন্বয় করে ভয়াবহ আগুনে ক্ষত্রিগ্রস্ত এফডিএমএন ও হোস্ট কমিউনিটির জন্য উক্ত প্রকল্পের কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়ন করা হয়। বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে নিয়মানুসারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে লিখিত অনুমতি ও অনুমোদন গ্রহন করা হয়। ইপসা ২০০১ সাল থেকে কক্সবাজারে বিভিন্ন উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত মিয়ানমারের নাগরিক (এফডিএমএন) বা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদেরকে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা প্রদান করেন। এরপর থেকে ইপসা এফডিএমএন বা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কল্যাণে মানবিক সহায়তামূলক বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। ২০২১ সালের ২২ মার্চ তারিখে উখিয়া উপজেলার এফডিএমএন বা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া ক্যাম্প নম্বর ৮ ইস্ট, ৮ ডাব্লিউ, ৯ এবং ১০ এ ব্যাপক অগ্নিকান্ডের কারণে উক্ত ক্যাম্পসমূহে বিশাল ক্ষতি হয় এবং ৭ জন লোক মৃত্যুবরণ করেন। সে সময়ে ইপসা’র জরুরী ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র প্রকল্প অনুমোদন করে এবং ক্যাম্প পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প-ইন-চার্জ (সিআইসি) ও শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের অনুমতি গ্রহন পূর্বক ও জেলা প্রশাসন, কক্সবাজার ও উপজেলা প্রশাসন, উখিয়ার সাথে সমন্বয় করে ভয়াবহ আগুনে ক্ষত্রিগ্রস্ত এফডিএমএন ও হোস্ট কমিউনিটির জন্য উক্ত প্রকল্পের কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়ন করা হয়। বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে নিয়মানুসারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে লিখিত অনুমতি ও অনুমোদন গ্রহন করা হয়। এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র নিবন্ধিত আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা Muslim Aid UK Bangladesh Field Office (এনজিও বিষয়ক ব্যুরো নিবন্ধন নম্বর-৫৫২, তারিখ: ১০ নভেম্বর, ১৯৯১, নবায়ন তারিখ: ১৪ মার্চ, ২০২২ মেয়াদ: ০৯ নভেম্বর, ২০৩১)’র সহযোগিতায় Emergency Fire Response for Rohingya Refugees of Ukhiya, Cox’s Bazar প্রকল্পটি এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (স্মারক নম্বর: ০৩.০৭.২৬৬৬.৬৬৬.৬৯.০০১.২১.১১, তারিখ: ২৫ এপ্রিল, ২০২১) অনুমোদনসহ অর্থ ছাড়ের অনুমতি প্রদান করেন। পরবর্তীতে ৯ মে, ২০২১ তারিখে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (স্মারক নম্বর: ০৩.০৭.২৬৬৬.৬৬৬.৬৯.০০১.২১.৪, তারিখ: ৯ মে, ২০২১) নতুন একটি ধারা সংযুক্ত করে পূণরায় অনুমোদন প্রদান করেন। অনুমোদন পাওয়ার পর নিয়মানুসারে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে (শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কক্সবাজার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, উখিয়া) অনুমোদিত এফডি-৭’র কপি সদয় অবগতির জন্য জমা করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কক্সবাজার উক্ত প্রকল্প কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইপসা’কে সহযোগিতা করার জন্য উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পত্র প্রদান করেন (স্মারক নং-০৫.২০.২২০০.১২৭.০৩.৪১.২০২১-১৮১, তারিখ: ২০ মে, ২০২১ ইং)। ক্যাম্প পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প-ইন-চার্জ (সিআইসি) থেকে ২৩ মে, ২০২১ নীড এসেসমেন্ট গ্রহন করা হয়। ক্যাম্প-ইন-চার্জ (সিআইসি)’র সুপারিশকৃত নীড এসেসমেন্টের উপর ভিত্তি করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয় Emergency Fire Response for Rohingya Refugees of Ukhiya, Cox’s Bazar প্রকল্পটির ক্যাম্প পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য অনুমতি (স্মারক নং-৫১.০৪.২২০০.০০৬.০৫.৫৪০.২০২১-১৬৯৩, তারিখ: ৭ জুন, ২০২১ ইং) প্রদান করেন।
হোস্ট কমিউনিটি পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সাথে সমন্বয় করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উক্ত অগ্নিকান্ড সংগঠিত হওয়ার পর উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর তালিকা তৈরী করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত উক্ত তালিকায় তালিকাভূক্ত ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠীকে ইপসা জরুরী ত্রাণ সহায়তা ও অনুমোদিত নগদ সহায়তা হিসেবে বিকাশ মোবাইল মানি ট্রান্সফার (এমএমটি)’র মাধ্যমে প্রদান করেছে। এখানে বিকাশের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক তালিকাভূক্ত ও অনুমোদিত শুধুমাত্র স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে এই নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়।
কার্যক্রম সমাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট ক্যাম্প-ইন-চার্জ (সিআইসি) প্রকল্প সমাপ্তি প্রতিবেদন অনুমোদন করেছেন। ইতিমধ্যে উক্ত প্রকল্পের যাবতীয় আর্থিক হিসাবের অডিট বা নিরীক্ষা এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র তালিকাভূক্ত অডিট ফার্ম কর্তৃক সম্পাদন করা হয়েছে এবং উক্ত প্রকল্পের নিরীক্ষিত হিসাব প্রতিবেদন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর নিরীক্ষা শাখা কর্তৃক গৃহিত হয়েছে (স্মারক নং-০৩.০৭.২৬৬৬.৬৫৮.৭২.০৪৩(৫)১২-১৮৯৬ তারিখ: ১৫/১১/২০২১ ইং)। উক্ত প্রকল্প অনুমোদিত হওয়ার পর কোভিড-১৯ পরিস্থিতি চলাকালীন সময়ে দাতা সংস্থা কর্তৃক তহবিল পাঠাতে বিলম্ব হওয়ার কারণে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র অনুমোদন নিয়ে (স্মারক নং-০৩.০৭.২৬৬৬.৬৬৪.৬৮.০৫৫.২১-৩৩৯ তারিখ: ২৭ জুন, ২০২১ ইং) কক্সবাজারের স্থানীয় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এস. এম. এন্টারপ্রাইজ’র সাথে এগ্রিমেন্ট করে দশ লক্ষ টাকা সাময়িক লোন নেওয়া হয়। দাতা সংস্থা থেকে তহবিল প্রাপ্তির পর ইপসা থেকে উক্ত লোনের টাকা মেসার্স এস. এম. এন্টারপ্রাইজকে ক্রস চেকের মাধ্যমে ফেরত প্রদান করা হয়। উক্ত প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রথম ধাপ থেকে নিয়মানুসারে সরকারি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ (এনজিও বিষয়ক ব্যুরো, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কক্সবাজার, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, উখিয়া এবং ক্যম্প-ইন-চার্জ-সিআইসি কার্যালয়, ক্যাম্প # ৮ ডাব্লিউ) থেকে অনুমতি গ্রহন ও সমন্বয় করে প্রকল্পের সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। উক্ত প্রকল্পের অনুমোদিত প্রতিটি হিসাব ও প্রতিবেদন ইপসা কক্সবাজার কার্যালয়ে সংরক্ষিত আছে। আগ্রহী যে কেউ চাইলে উক্ত প্রকল্প সংশ্লিষ্ট যে কোন তথ্যাদি দেখতে পারবেন এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের ভিজিট করতে পারবেন। আমরা বিশ্বাস করি, উক্ত প্রকল্পের সকল কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা রয়েছে এবং সকল ধরনের সরকারি নিয়ম মানা হয়েছে এবং কোন ধরনের দুর্নীতি, জঙ্গি কার্যক্রমে অর্থায়ন বা জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নেই।
ইপসা প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে দেশপ্রেমকে প্রথম সাংগঠনিক মূল্যবোধ হিসেবে গ্রহন করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ইপসা সরকারের অনুমোদনে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে এবং তা চলমান রয়েছে। গুগলে ”উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ কার্যক্রম” লিখে সার্চ দিলে ইপসা’র এ বিষয়ক কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ও উপকরণসমূহ পাওয়া যাবে।
ইপসা ঘোষণা করছে – দেশ বিরোধী, মহান মুক্তিয়ুদ্ধের চেতনা বিরোধী ও কোন ধরনের সন্ত্রাসী বা জঙ্গী কার্যক্রমে বা অর্থায়নে সম্পৃক্ত নয় এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহযোগিতা প্রদান করে না। সকল কার্যক্রমে সরকারি আইন কানুন ও নিয়ম নীতি মেনে স্বচ্ছতার সাথে বিগত ৩৭ বছর উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইপসা তার কর্মকান্ড পরিচালনায় যে কোন ধরনের পরামর্শ বা মতামত প্রদানকে ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানায়।
এ বিষয়ক যে কোন যোগাযোগ:
মোহাম্মদ হারুন (০১৭১৬-২৮০১৬৮)
ফোকাল পার্সন, ইপসা কক্সবাজার