মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে প্রতিবন্ধীদের হুইল চেয়ার বিতরণ Esha Deol Talks About ‘Ups And Downs In Life’, Reveals Who Is A ‘Perfect Husband’ | Bollywood News ‘I thought my cricketing career was over’: Devdutt Padikkal opens up on toughest phase ahead of New Zealand Tests | Cricket News কালিয়াকৈরে আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পের পণ্যে আকৃষ্ট চার দেশের রাষ্ট্রদূত আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ বক্তব্যের নিন্দা জামায়াতের বিনামূল্যে ইউটিউব প্রিমিয়াম ব্যবহারের নিরাপদ ও বৈধ উপায় হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৪৬৬ খেলতে খেলতে শেখার আনন্দ, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা যাচাই প্রতিমন্ত্রীর চীনে পাঁচ বাংলাদেশি পুলিশের হাতে আটক সিএমপি বাকলিয়া থানা পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার সহ ০১(এক) জন পেশাদার চোর গ্রেফতার।

ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া-মাসুক রিমান্ডে – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৪৬ সময় দেখুন
ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া-মাসুক রিমান্ডে – Corporate Sangbad


আইন-আদালত


কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ তিনজনের পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (২৩ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়া শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

অপর আসামি হলেন- ই-অরেঞ্জের চিফ অপারেটিং অফিসার আমান উল্ল্যাহ। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

১১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানকে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) কারাগারে পাঠান আদালত। ওইদিন ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর সিদ্দিকের আদালতে ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের দুজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার (১৬ আগস্ট) ই-অরেঞ্জের ‘প্রতারণার শিকার’ মো. তাহেরুল ইসলাম নামের একজন গ্রাহক মামলাটি দায়ের করেছেন। এসময় উপস্থিত থেকে তার সঙ্গে সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও ৩৭ জন।

মামলার এজাহারে তাহেরুল ইসলাম জানান, তিনি গত ২১ এপ্রিল পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জে অগ্রিম টাকা দেন। তবে ই-অরেঞ্জ নির্ধারিত তারিখে পণ্য সরবরাহ করেনি। টাকাও ফেরত দেয়নি। নিজেদের ফেসবুক পেজে বার বার নোটিশ দিয়েছে, সময় চেয়েছে। কিন্তু পণ্য ও টাকা দেয়নি। সর্বশেষ তারা গুলশান-১ এর ১৩৬/১৩৭ নম্বর রোডের ৫/এ নম্বর ভবনে অবস্থিত অফিস থেকে পণ্য ডেলিভারির কথা বললেও তারা ডেলিভারি দেয়নি। এছাড়াও তারা যে বিভিন্ন আউটলেটের গিফট ভাউচার বিক্রি করেছিল, সেগুলোর টাকা আটকে রাখায় আউটলেটগুলো ভাউচারের বিপরীতে পণ্য দিচ্ছে না। আমরা এই করোনাকালীন সময় আমাদের কষ্টার্জিত অর্থ পাচ্ছি না, বরং প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছি। এছাড়াও আজ পর্যন্ত তারা ভুক্তভোগীদের কোনও পণ্য ডেলিভারি না করে এক লাখ ভুক্তভোগীর প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছে।

মামলায় অর্থ আত্মসাৎকারী হিসেবে যেসব আসামির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন- মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ, সোনিয়া মেহজাবিনসহ আরও কয়েকজন। মামলার এজাহারে উল্লেখিত আসামিদের প্রত্যেককেই ই-অরেঞ্জের মালিক বলে দাবি করা হয়েছে।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর