রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন

‘ওঁর ছোঁয়াতেই আমি…’ অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে রোম্যান্টিক দৃশ্যের জন্য নিজের ব্লাউজ আঁটোসাঁটো করে সেলাই করাতে বলেছিলেন হেমা, ‘বাগবান’ ছবির সময় এ কী বলেছিলেন বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’?

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১২০ সময় দেখুন


06

এর আগে ভারতী এস প্রধানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী জানিয়েছিলেন যে, একপ্রকার মায়ের জোরাজুরিতেই এই চরিত্রটি হাতে নিয়েছিলেন হেমা মালিনী। হেমার কথায়, “বাগবান ছবির মহরতের আগে বিআর চোপড়া আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে, তিনি চান যেন আমি আমার চরিত্রটি নিখুঁত ভাবে করি, ঠিক যেভাবে তিনি চান। উনি আমায় গল্পটি শুনিয়েছিলেন এবং আমার মনে হয়, ওটাই ছিল ওঁর আশীর্বাদ। যার জন্য ছবিটি ভাল ফল করেছে। আজ পর্যন্ত এই ছবি নিয়ে মানুষ চর্চা করেন। আমার মনে আছে, আমি যখন রবি চোপড়ার থেকে গল্পটি শুনছিলাম, তখন আমার মা-ও আমার সঙ্গে বসেছিলেন। উনি চলে যাওয়ার পর আমি বলেছিলেন, এত বড় বড় চারজন ছেলের মায়ের চরিত্র করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি কীভাবে এসব করব? আমার মা বলেছিলেন, ‘না না, তোমায় এটা করতেই হবে। কারণ গল্পটা খুবই ভাল’।” এর আগে ভারতী এস প্রধানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী জানিয়েছিলেন যে, একপ্রকার মায়ের জোরাজুরিতেই এই চরিত্রটি হাতে নিয়েছিলেন হেমা মালিনী। হেমার কথায়, “বাগবান ছবির মহরতের আগে বিআর চোপড়া আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে, তিনি চান যেন আমি আমার চরিত্রটি নিখুঁত ভাবে করি, ঠিক যেভাবে তিনি চান। উনি আমায় গল্পটি শুনিয়েছিলেন এবং আমার মনে হয়, ওটাই ছিল ওঁর আশীর্বাদ। যার জন্য ছবিটি ভাল ফল করেছে। আজ পর্যন্ত এই ছবি নিয়ে মানুষ চর্চা করেন। আমার মনে আছে, আমি যখন রবি চোপড়ার থেকে গল্পটি শুনছিলাম, তখন আমার মা-ও আমার সঙ্গে বসেছিলেন। উনি চলে যাওয়ার পর আমি বলেছিলেন, এত বড় বড় চারজন ছেলের মায়ের চরিত্র করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি কীভাবে এসব করব? আমার মা বলেছিলেন, ‘না না, তোমায় এটা করতেই হবে। কারণ গল্পটা খুবই ভাল’।”

এর আগে ভারতী এস প্রধানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী জানিয়েছিলেন যে, একপ্রকার মায়ের জোরাজুরিতেই এই চরিত্রটি হাতে নিয়েছিলেন হেমা মালিনী। হেমার কথায়, “বাগবান ছবির মহরতের আগে বিআর চোপড়া আমার সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে, তিনি চান যেন আমি আমার চরিত্রটি নিখুঁত ভাবে করি, ঠিক যেভাবে তিনি চান। উনি আমায় গল্পটি শুনিয়েছিলেন এবং আমার মনে হয়, ওটাই ছিল ওঁর আশীর্বাদ। যার জন্য ছবিটি ভাল ফল করেছে। আজ পর্যন্ত এই ছবি নিয়ে মানুষ চর্চা করেন। আমার মনে আছে, আমি যখন রবি চোপড়ার থেকে গল্পটি শুনছিলাম, তখন আমার মা-ও আমার সঙ্গে বসেছিলেন। উনি চলে যাওয়ার পর আমি বলেছিলেন, এত বড় বড় চারজন ছেলের মায়ের চরিত্র করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু আমি কীভাবে এসব করব? আমার মা বলেছিলেন, ‘না না, তোমায় এটা করতেই হবে। কারণ গল্পটা খুবই ভাল’।”



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর