শহীদুজ্জামান শিমুল সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটায় গোয়েন্দা পুলিশ সেঁজে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে র্যাব এর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশের এক এসআই ও একজন পৌর কাউন্সিলরসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রত্যেককে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত ।
বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক বাবলুর রহমান খান সাতক্ষীরার আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানী শেষে সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তৃতীয় আদালতের বিচারক রাকিবুল ইসলাম ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামীরা হলেন- যশোর পুলিশ হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-পরিদর্শক ও সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামের আকবর আলীর ছেলে মোশাররফ হোসেন (৪০), যশোরের চৌগাছা পৌরসভার চৌগাছা গ্রামের মগরেব আলীর ছেলে কাউন্সির মোস্তফা বিশ্বাস (৪৬), একই গ্রামের সিরাজ গাজীর ছেলে মাহাবুববর রহমান (২৭), যশোর শহরের বেজপাড়ার গৌর শীলের ছেলে সুজন শীল (২৯)ও একই জেলা শহরের কাজীপাড়ার আতিয়ার রহমানের ছেলে শরীফুল ইসলাম (৪২)।
মামলার বিবরনে জানা যায়, আসামীরা দীর্ঘদিন গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে সড়ক-মহাসড়কে ছিনতাই করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তারা গত ১৭ ফেব্রুয়ারী রাতে র্যাব সদস্যরা তাদেরকে আটক করে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় ১টি প্রাইভেটকার, ১টি মোটরসাইকেল, ১টি খেলনা পিস্তল, ২টি পিস্তলের কভার, ১টি অকিটকি সেট, ২টি গোয়েন্দা পুলিশের কটি, ২টি হ্যান্ডক্যাপ, ২টি পুলিশ ফিল্ডক্যাপ, ১টি পুলিশ বেল্ট, ১টি গোয়েন্দা পুলিশের ভূয়া আইডিকার্ড ও ১টি পিস্তল বাঁধার চেইন।
র্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা শাখার নায়েক সুবেদার আব্দুর রহিম বাদি হয়ে পাটকেলঘাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক বাবলুর রহমান খান আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদন শুনানী শেষে বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) বিচারক রাকিবুল ইসলাম তাদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বুধবার বিকেলে আসামীদের আদালত থেকে থানায় নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: