শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চুয়েট কর্মকর্তা সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ হাম ও হামের উপসর্গে ৩০ দিনে ১৪৩ শিশুর মৃত্যু Youth-led Innovation Lab-এ ইপসার সাফল্য, জাতীয় পর্যায়ে যাচ্ছে TeaCycle ও Econova দৈনিক পূর্বকোণের সাংবাদিক পরিচয়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজি চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণার রাকসু নির্বাচন: মেয়াদ শেষ, দ্রুত নির্বাচনের দাবি ছাত্রনেতাদের কালিয়াকৈরে ঢাকা টাংগাইল মহাসড়কের উপরে ময়লার ভাগার সাধারণ পথচারীর চরম জনদুর্ভোগ হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে তেলবাহী ৪ জাহাজে আগুন Ankur Rathee Calls Indian Cinema’s Fair-Skin Bias ‘Dangerous’: ‘West Idolises Lupita Nyong’O’ | Exclusive | Bollywood News ‘I was very happy’: Smriti Mandhana reveals MS Dhoni’s special WhatsApp message after World Cup win | Cricket News পিরোজপুরে মানিক পশারীর মৃত্যু, দাফন বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন

জাল দলিলে জমি আত্মসাতের চেষ্টা, ভাইবোনসহ কারাগারে ইউপি চেয়ারম্যান – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৯৮ সময় দেখুন
জাল দলিলে জমি আত্মসাতের চেষ্টা, ভাইবোনসহ কারাগারে ইউপি চেয়ারম্যান – Corporate Sangbad


বরিশাল অফিস : ভুয়া ডিক্রি ও জাল দলিলের মাধ্যমে এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী পরিবারের জমি আত্মাসাৎ করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় ভাইবোনসহ কারাগারে গেলেন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হাওলাদার।

বুধবার সকালে বরিশাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মহিবুল হাসান তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামসহ অপর ৪ আসামি বুধবার সকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন। বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করেন।

কারাগারে যাওয়া অন্যরা হচ্ছেন- চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম হাওলাদারের ভাই আব্দুর রশিদ হাওলাদার, আবুল হোসেন হাওলাদার, তৌহিদুল ইসলাম হাওলাদার ও বোন কোহিনুর বেগম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দাড়িয়াল এলাকার নরেন্দ্র নাথ পাল তার পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে ৬ একর ২ শতাংশ জমির মালিক। চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম হাওলাদার নিলাম ডিক্রি সূত্রে মালিকানা দাবি করে ২০১৬ সালে ওই জমি দখলের চেষ্টা চালান। পরে খোঁজ নিয়ে নরেন্দ্র নাথ পাল জানতে পারেন, ২০১৫ সালে ৩ একর ৫৩ শতাংশ জমির জাল নিলাম ডিক্রি তৈরি করা হয়েছে।

অবশিষ্ট জমি আত্মসাৎ করার জন্য নরেন্দ্র নাথ পালের ফুফু জয়া ও গীতা এবং হোসেনের নাম ব্যবহার করে সাতক্ষিরার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে সম্পন্ন দেখিয়ে একটি জাল সাব কবলা দলিল সৃষ্টি করা হয়। ২০১৬ সালে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ওই জমি স্থানীয় ভূমি অফিসে রেকর্ড সংশোধনের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন।

এ ঘটনায় ২০১৯ সালে শহীদুল ইসলামসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নরেন্দ্র নাথ পাল। সিআইডির পরিদর্শক মো. সেলিমা মিয়া অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে গত ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দেন।

আদালত সূত্রে আরও জানা যায়, প্রতিবেদন পাওয়ার পর শহীদুল ইসলামসহ অভিযুক্ত অপর ৯ জনের বিরুদ্ধে হাজির হওয়ার জন্য আদালত সমন দিয়েছিল। তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন আদালত।

বরিশাল সিটি মেয়র ও প্রধান নির্বাহীর বিরুদ্ধে মামলা

সাতক্ষীরা একটি আদালতে এক দিনে ৫১ মামলার নিষ্পত্তি





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর