সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোবাইলের পর্দায় আটকে থাকা একটি প্রজন্ম! ‘বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ ব্লাড ক্যান্সারে চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু Aditya Dhar And Yami Gautam Leave Mumbai, Move Permanent Base To Himachal Pradesh: Report | Bollywood News EXCLUSIVE | Asian Games gold done, Neeru Dhanda eyes Olympic shotgun medal to end wait since Rajyavardhan Rathore’s 2004 silver | Asian Games 2026 News রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা ‘আজও কীভাবে ওসি লোকমান চাকরিতে আছেন’—প্রশ্ন সাবেক ছাত্রনেতা বিপ্লবের শ্যামনগরে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি আলেমদের সমাজের দায়িত্বও নিতে হবে: শফিকুর রহমান

নাগরপুর এলজিইডি অফিসে সাংবাদিককে পত্রিকা দিতে বাধা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩৬ সময় দেখুন
নাগরপুর এলজিইডি অফিসে সাংবাদিককে পত্রিকা দিতে বাধা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে জাতীয় দৈনিক আমার সংবাদ ও সময়ের কণ্ঠস্বর এর প্রতিনিধি আজিজুল হককে পত্রিকা পৌঁছে দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিতভাবে পত্রিকা সরবরাহ করে আসা আজিজুল হক নিজে পত্রিকা দিতে গেলে দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম খান সরাসরি জানিয়ে দেন, “এই পত্রিকা অফিসে দেওয়া বন্ধ।” এছাড়া তিনি সাংবাদিককে বোঝান, “বিজ্ঞাপন কেমনে পাও সেটা দেখার আছে।”

আজিজুল হক বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত এই অফিসে পত্রিকা পৌঁছে দিই। আজও নিজে পত্রিকা দিতে যাই, কিন্তু উপ-সহকারী প্রকৌশলী সরাসরি বলে দিলেন যে এই পত্রিকা অফিসে দেওয়া বন্ধ। আমি বিষয়টি জানতে ভিডিও বক্তব্য নিতে চাইলে তিনি আমার হাত ও মোবাইল ধরার চেষ্টা করেন।”

অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, “আমি এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে চাইছি না। পত্রিকা গ্রহণ বা বিষয়টি সম্পর্কে পরে কথা বলা হবে।”

উপজেলা পর্যায়ে স্থায়ী কোনো উপজেলা প্রকৌশলী না থাকায় দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে টাঙ্গাইল জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী (XEN) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, “আমি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। সরকারি দপ্তরে পত্রিকা রাখা এবং সাংবাদিকের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সাংবাদিকরা দ্রুত দোষী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি দপ্তরে তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম, যা বাধাগ্রস্ত করা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর