লোয়াবের সভাপতি আজম জে চৌধুরী বলেন, বিইআরসি আইনানুগ ব্যবস্থা নিলেও তাঁদের পক্ষে নির্ধারিত দাম মানা সম্ভব নয়। এতে প্রতি সিলিন্ডারে ১৫০ টাকা লোকসান দিতে হবে ব্যবসায়ীদের। দাম যৌক্তিকভাবে সমন্বয় করা না হলে সবার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।
দেশে সবচেয়ে বেশি এলপিজি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালি রান্নার কাজে। বেসরকারি খাতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম জুলাই মাসের জন্য ৮৯১ টাকা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। তবে তা মানা হচ্ছে না। বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকা দরে।
ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাদেক খান সড়কের বাসিন্দা আনিছুর রহমান বলেন, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনেছেন ১ হাজার ১০০ টাকায়। বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে হয়েছে।এদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, বেশি দামে কিনতে হয় বলেই তাঁরা নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি দামে বিক্রি করেন। মোহাম্মদপুর এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্রেতা জানান, গত চার মাসে একবারও বিইআরসি ঘোষিত দামের সঙ্গে কোম্পানির মূল্যের সমন্বয় হয়নি।