
ইউনাইটেড নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রণোদনা প্রদানে যাতে কোন ধরনের স্বজনপ্রীতি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা যেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে পৌঁছায় সেদিকে কঠোরভাবে সতর্ক থাকতে হবে। এক্ষেত্রে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না।’তিনি আজ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের সহায়তা, গ্রামীণ কর্ম-সৃজন, পর্যটনখাত এবং পরিবহন শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য ৩২০০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। সত্যিকার অর্থে ক্ষতিগ্রস্থরা যাতে তালিকাভুক্ত হয় সেদিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে।
লকডাউন শিথিল করার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি খেটে খাওয়া মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা এবং ঈদকে ঘিরে অর্থনীতির প্রবাহ গতিশীল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী লকডাউনে ব্রেক দিলেও করোনা কাউকে ব্রেক দেবে না, প্রাণঘাতী রূপ নিয়ে সংক্রমণ ছড়াবেই। তাই শতভাগ মাস্ক পরিধানের কোন বিকল্প নেই।
বিধিনিষেধ শিথিল করায় আগামীকাল থেকে সারাদেশে শর্তসাপেক্ষে গণপরিবহন চলাচল করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোপূর্বের ধারাবাহিকতায় সমন্বয় করা ৬০ ভাগ বর্ধিত ভাড়ায় অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চলাচল করবে। আশা করি পরিবহন মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলো করোনার বর্তমান সংক্রমণ মাথায় রেখে, স্বাস্থ্যবিধিসহ শর্তসমূহ মেনে যানবাহন পরিচালনা করবেন। শর্ত অমান্যকারী এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারী পরিবহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।