সালেহ্ বিপ্লব: [২] কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে অভিবাসিরা পাসপোর্ট, ভিসা, নো ভিসা পেতে অনেক জটিলতা ও ভোগান্তির সম্মুখিন হচ্ছেন। এর প্রতিবাদে ‘বাংলাদেশী কানাডিয়ান নাগরিক অধিকার ফোরাম’ এর আহ্বানে রোববার সন্ধা ৭টায় ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল রহমানের সভাপতিত্বে টরন্টোতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
[৩] সভায় উপস্থিত অনেক প্রবাসী তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে নো-ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে দুর্ভোগ ও হয়রানির কথা তুলে ধরেন। কেউ কেউ অনলাইন আবেদনে সার্ভারে সমস্যা ও ভিসা প্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রতার কথা উল্লেখ করেন। নতুন পাসপোর্ট ও পাসপোর্ট নবায়নে ফেসবুক আইডি ও ইউটিউব লিংক প্রদান বাধ্যতামুলক করার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন, এটা মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী।

[৫] বক্তারা বলেন, কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সেবায় পূর্বের যে ধারা-মান বজায় ছিল তা অবিলম্বে পুনরায় চালু করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তকেই কানাডার বাংলাদেশ দূতাবাসকে অনুসরণ করতে হবে।
[৬] সভায় সর্বসম্মতভাবে কানডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে প্রবাসীদের দাবির ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান জানানো হয়।

[৮] আলোচনায় অংশ নেন আহাদ খন্দকার, শওগাত আলী সাগর, এম আর জাহাঙ্গীর, লিটন মাসুদ, নওশের আলী, আহমেদ হোসেন, ড. মঞ্জুরে খোদা, মাহবুব চৌধুরী রনি, সাদ চৌধুরী, ফারজানা চৌধুরী বিন্দু, হাজি সেলিম, সুমন জাফর, আপন কাজি, শেখ আশফাক দুলাল, রেজা সাত্তার, ড. হানিফ, মিসবাউল কাদের ফাহিম, রিফাত চৌধুরী, ড. হুমায়ুন কবীর, দীন ইসলাম, বাবলু চৌধুরী, হাবিব চৌধুরী মারুফ, মকবুল হোসেন মঞ্জু, আহমেদ হোসেন লনি, আমিনুর চৌধুরী বাবু, রাফি চৌধুরী, সাকিল আহমেদ, ইউসুফ তালুকদার, সৈয়দ মাহবুব, একেএম সেলিম, ফরহাদ নাঈম, আজমল মিয়া, দেওয়ান হক, রফিক প্রমুখ।