বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে বোয়ালীতে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন এডভোকেট আতিকুর রহমান ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৬৬ কর্ণফুলীতে চরপাথরঘাটা ইউপিতে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী এম জামাল উদ্দিন মুন্সি রাবি শিক্ষার্থী দীপার পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন ভিসি শেরপুরে মানবপাচার চক্রের প্রধান আসামি গ্রেফতার ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত রাবি শিক্ষার্থী, ভর্তি আইসিইউতে Tiger Shroff Firing Case: Accused Conducted Recce 2 Weeks Back, Had A Pre-Decided Escape Plan | Bollywood News Deepthi Jeevanji wins 400m T20 gold with Asian Para Games record | Asian Para Games 2026 News “আমাদের মূল পরিচয় আমরা মানুষ ও বাংলাদেশী”: বাকলিয়া কৃষ্ণ মন্দির পরিদর্শনে আলমগীর চৌধুরী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতায় আজ ফাঁদে পড়লেন ইশরাক: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

২০২৩ সালে ই-কমার্সের বাজার হবে ২৫ হাজার কোটি টাকা: পলক

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৬৮ সময় দেখুন
২০২৩ সালে ই-কমার্সের বাজার হবে ২৫ হাজার কোটি টাকা: পলক


সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বর্তমানে দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, আর্থিক লেনদেনে খরচ কমাতে ও হয়রানি রোধে আগামী বছরের জানুয়ারিতে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্ল্যাটফর্ম চালু করা হবে। দেশের জনগণকে ডিজিটালসেবা প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে নিয়ে আসাই এর লক্ষ্য।

রোববার (২১ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের উদ্যোগে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ট্রেনিং ফর আনন্দমেলা প্ল্যাটফর্ম ইউজার্স ইন বাংলাদেশ কিকঅফ ওয়ার্কশপ’র দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এছাড়াও তিনি পলক বলেন, ওয়েবসাইট ডেভেলপ ও মার্কেটিং করার লক্ষ্যে দেশের ২ হাজার ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাকে অফেরৎযোগ্য ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হবে।

পলক বলেন, অনলাইন ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার ও এটিএম কার্ড ব্যবহারে দেশে ই-কমার্সেরও ব্যাপক প্রসার ঘটাচ্ছে। ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত ই-কমার্সের আকার ছিল ৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ,যা করোনা মহামারিতে দ্বিগুণ হয়েছে। আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ দেশীয় ই-কমার্সের বাজার ২৫ হাজার কোটিতে পৌঁছাতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশে সরকারের নানা উদ্যোগের ফলে বর্তমানে দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে। আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে আইডিয়া প্রকল্পের মাধ্যমে স্টার্টআপগুলোকে অনুদান দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে উঠছে। ২০১৮ সালেই আইসিটি খাতে রপ্তানি ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। অনলাইন শ্রমশক্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সারের আউটসোর্সিং খাত থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করছে। ৩৯টি হাই-টেক ও আইটি পার্কের মধ্যে এরই মধ্যে নির্মিত ৮টিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেছে। এর মধ্যে ৫টি আইটি পার্কে ১২০টি প্রতিষ্ঠান ৩২৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে এবং ১৩ হাজারের অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, হাই-টেক পার্কগুলোর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে ৩ লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে পার্কগুলোতে ২৪শ কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে বিডব্লিউসিসিআই’র সভাপতি সংসদ সদস্য সেলিমা আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ইউএনডিপির কান্ট্রি ইকোনমিস্ট নাজনীন আহমেদ।



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর