করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা সচল ছিল। সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১ থেকে ১৪ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধেও পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ‘কঠোরতম বিধিনিষেধে’ কয়েকটি খাত ছাড়া প্রায় সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ রয়েছে।
৩টি কারখানা গতকাল চালু ছিল। তার মধ্যে বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ওষুধ, খাদ্য, অক্সিজেন, বিদ্যুৎ, চামড়া, চিকিৎসা যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী কারখানার পাশাপাশি বিধিনিষেধের আওতাভুক্ত সরঞ্জাম, প্রসাধনী, সিমেন্ট, ইস্পাত, প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক কারখানাও চলছে। যদিও সংখ্যাটি খুবই কম। তবে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সেগুলো চলার কথা নয়।
চালু থাকা ৩০৩টি কারখানার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৭টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। তারপর খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনকারী কারখানা রয়েছে ৩৮টি। আটা ও ময়দার মিল চালু আছে ৩৭টি। মাছের খাদ্য উৎপাদনে নিয়োজিত ৩৬টি কারখানা চলছে। মাছ প্রক্রিয়াজাতকারী ১৫টি কারখানাও খোলা। এ ছাড়া মুরগির ফার্ম ১২, বিস্কুটের ১০, অক্সিজেন উৎপাদনকারী ৯টি, বিদ্যুতের ৭টি, চামড়ার ২টিসহ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত খাতের কারখানা চালু রয়েছে।
শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিধিনিষেধের আওতামুক্ত না হলেও ইস্পাত খাতের তিনটি কারখানা চলছে। তার মধ্যে দুটি গাজীপুরে ও খুলনায় একটি। আবার খুলনার একটি সিমেন্ট কারখানাও চালু রয়েছে। এ ছাড়া সরঞ্জাম তৈরির ৯টি কারখানা, ৭টি রাসায়নিক, ১টি গ্লাস, প্রসাধনী তৈরির ১টি, ডিটারজেন্ট উৎপাদনকারী ১টি এবং ২টি প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনকারী কারখানাও চালু রয়েছে।