বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন

আত্মহত্যায় প্ররোচনা: হেনোলাক্সের এমডি-পরিচালক গ্রেপ্তার – Corporate Sangbad

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৬ জুলাই, ২০২২
  • ১৮১ সময় দেখুন
আত্মহত্যায় প্ররোচনা: হেনোলাক্সের এমডি-পরিচালক গ্রেপ্তার – Corporate Sangbad


নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিজের গায়ে আগুন দেয়া কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও ব্যবসায়ী গাজী আনিসের মৃত্যুর ঘটনায় হেনোলাক্সের এমডি নুরুল আমিন ও পরিচালক ফাতেমা আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) রাতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাহিনীটির গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

আল মঈন বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে। এর আগে দুপুরে শাহবাগ থানায় হেনোলাক্স কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন আনিসের ভাই নজরুল ইসলাম।

মৃত্যুর কয়েকদিন আগে ফেইসবুকে দেয়া এক পোস্টে আনিস দাবি করেন, হেনোলাক্স গ্রুপে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে প্রতারণার শিকার হন তিনি।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যাডমিন্টন মাঠে নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি গাজী আনিস। শোয়া অবস্থায় তার গায়ে আগুন জ্বলছে দেখে আশপাশ থেকে সবাই ছুটে যান। তারা পানি ঢেলে আগুন নেভান। তবে ততক্ষণে তার গায়ের পোশাক সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নেভায় এবং পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত তাঁকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যায়।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) সকাল ৬টা ১০ মিনিটে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

৫০ বছর বয়সী আনিসের বাড়ি কুষ্টিয়ায়, তিনি ঠিকাদারি ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক এই সদস্য এক সময় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতিও ছিলেন।

আনিসের ঘনিষ্ঠজন মোহাম্মদ আলী জানান, আনিস একজন ব্যবসায়ী। পাওনা টাকা না পেয়ে তিনি গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। দুই মাস আগেও তিনি পাওনা টাকার দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছিলেন। এরপর বিভিন্ন জায়গায় গেলেও সহায়তা না পেয়ে আজ তিনি এ ঘটনা ঘটান। তিনি জানান, কাজী আনিস কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসা করতেন।

কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ হাসান মেহেদী জানান, গাজী আনিসুর রহমান ১৯৯১ সালে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। সেই কমিটিতে আমি ছিলাম সাধারণ সম্পাদক। এর আগে আনিস কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিও ছিলেন। পরবর্তীতে গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরি পেয়ে রাজনীতি থেকে দূরে চলে যান। গ্রামীণ ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে বছর দুই হলো আবার রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন। কিন্তু আশানুরূপ পদ-পদবি না পেয়ে আবার ব্যবসায় মনোযোগী হন। এর মধ্যেই এই দুঃখজনক সংবাদ শুনলাম।





Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর