রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন

Kolkata Haltu Mysterious Death: বাবার শরীরে বাঁধা ছোট্ট ছেলের শরীর! অকথ্য অত্যাচার, দেওয়ালে লেখা মামা-মামীর নাম! হালতুতে হাড়হিম কাণ্ড Kolkata Mysterious Death 3 person including one minors body found in Haltu Kasba a note recovered police investigation started

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫
  • ৩০ সময় দেখুন


Last Updated:

Tangra Mysterious Death: কসবা থানার অন্তর্গত হালতু এলাকায় একই পরিবারের তিনজনের দেহ উদ্ধার। স্বামী-স্ত্রী এবং ৩ বছরের নাবালকের দেহ। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু নাবালকের মৃত্যু কীভাবে হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

একই পরিবারের ৩ জনের দেহ উদ্ধার। ছবিঃ AIএকই পরিবারের ৩ জনের দেহ উদ্ধার। ছবিঃ AI
একই পরিবারের ৩ জনের দেহ উদ্ধার। ছবিঃ AI

কসবা: বাবার শরীরে বাঁধা ছোট্ট ছেলের শরীর, এভাবেই মৃত্যুর পথ বেছে নেয় হালতুর রায় পরিবারের কর্তা সোমনাথ রায়। মঙ্গলবার হালতু এলাকায় একই পরিবারের তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। স্বামী-স্ত্রী এবং ৩ বছরের নাবালকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত ব্যক্তির নাম সোমনাথ রায় এবং তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা রায়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু নাবালকের মৃত্যু কীভাবে হল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত করছে কসবা থানার পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পাওনাদাররা তার বাড়িতে আসত টাকা চাওয়ার জন্য, সেই কারণে অবসাদে ভুগছিলেন সোমনাথ। অন্যদিকে, স্ত্রীর বাপের বাড়ির অভিযোগ, সোমনাথের মামা অর্থাৎ সুমিত্রার মামাশ্বশুর তাদের ওপরে অত্যাচার করত, ছিল পারিবারিক সম্পত্তিগত বিবাদও। সাম্প্রতি ট্যাক্সের বিল জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঝামেলাও হয় নিজেদের মধ্যে, দাবি প্রতিবেশীদের।

আরও পড়ুনঃ ‘কেঁচো খুঁড়তে…’! পুনর্নির্মাণের সময় পুকুর থেকে উঠল আরও ট্রলি! কী মিলল তাতে? পিসি শাশুড়ি হত্যাকাণ্ডে হাড়হিম আপডেট

সোমনাথ রায়ের মামা, মামী এবং মাসিকে ইতিমধ্যেই আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কসবা থানায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমনাথ রায়ের দিদা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের যে পেনশন দেওয়া হয়, সেই পেনশন পেতেন। এখনও সেই পেনশনের টাকা পান প্রতি মাসে। এই নিয়েও মামাদের সঙ্গে বিবাদ চলত দীর্ঘদিন ধরে।

আরও পড়ুনঃ মাখনের মতো গলগলিয়ে গলবে মেদ! রোজ সকালে খান ‘এই’ সাদা নরম খাবার, পয়লা বৈশাখের আগে চাবুক ফিগার

পাশাপাশি, মৃতের মামা ট্রাফিক পুলিশের কর্মরত ছিল, এখন অবসরপ্রাপ্ত। তিন জনকেই কসবা থানার পুলিশ আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গিয়েছে কসবা থানায়। সোমনাথ রায় আত্মহত্যা করার আগে দেওয়ালে লিখে গিয়েছেন, তাঁর মৃত্যুর জন্য মামা এবং মামী দায়ী। তবে কেন তারা মামা বাড়িতে থাকতেন, পরিবারে আর কে কে রয়েছেন, জানতে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনিয়নের কাছ থেকে আট হাজার টাকার লোন নিয়েছিল সোমনাথ রায়। সেই টাকা সোমবার রাতে শোধ করে দেন। আরও একজনের কাছে ১০,০০০ টাকা তিনি নিয়েছিলেন, সেই টাকাও তিনি শোধ করেন। তার সহকর্মী জানান, দীর্ঘদিন ধরে মামা-মামী অত্যাচার করত, এমন কথা তিনি জানাতেন তাঁদের।

বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/

Kolkata Mysterious Death: বাবার শরীরে বাঁধা ছোট্ট ছেলের শরীর! অকথ্য অত্যাচার, দেওয়ালে লেখা মামা-মামীর নাম! হালতুতে হাড়হিম কাণ্ড

Next Article

Dumdum School: প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ! দমদমের স্কুলে ভাঙচুর, গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর