বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘নির্বাচনী প্রতীক বিক্রির চেষ্টা’ ভোটার বিভ্রান্ত হবেন না —প্রার্থীর আহ্বান ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের তীব্র জ্যাম ভোগান্তিতে কর্মজীবী মানুষ ভোটের ছুটিতে বাড়ি ফেরার ঢল ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে উপচে পড়া ভিড় বাড়তি ভাড়া আদায়,তীব্র যানজট Nora Fatehi Praises Bad Bunny’s Super Bowl Act: ‘That Performance Sent Out A Massive Message’ | Bollywood News ধানের শীষের বিপক্ষে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে: পুতুল রাঙামাটিতে একমাত্র নারী প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ U-turn complete! India vs Pakistan T20 World Cup match to go ahead in Colombo on February 15 | Cricket News বাকেরগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময়:-আজ সোমবার বিশাল জনসভা ও গণমিছিল চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার গণভোটের মার্কা কি! ভোট তো মার্কা দেখে দেই!

Nandini Puja: মাটিই যখন দেবতা! স্নান সেরে বসুন্ধরার মাটির ঢেলা মাথায় বয়ে নিয়ে পুজো দেন ভক্তরা | traditional nandini puja celebration in nadia

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫
  • ৫২ সময় দেখুন


Last Updated:

স্নান সেরে বসুন্ধরার মাটির ঢেলা মাথায় করে বয়ে নিয়ে এসে পুজো দেন ভক্তরা

X

বসুন্ধরার

বসুন্ধরার মাটি পুজো দিচ্ছেন ভক্তরা

নদিয়া: স্নান সেরে বসুন্ধরার মাটির ঢেলা মাথায় করে বয়ে নিয়ে এসে পুজো দেন ভক্তরা, বর্তমানে মাটির পাহাড় তৈরি হয়েছে সেখানে, অন্যদিকে মাটি নিতে নিতে একসময়ের ছাড়া গঙ্গা পুনরায় জলপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা। নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের পঞ্চায়েতের অন্তর্গত সগুনা এলাকায় শতবর্ষ প্রাচীন নন্দিনী পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এলাকার মানুষের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধি, সন্তানহীনতা এবং ব্যথা সংক্রান্ত নানা রোগ ভাল হয়েছে এখানে পুজো দিয়ে। সন্তানাদির জন্ম এবং তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য মায়েরা এখানকার মাটি মেখে থাকেন।

প্রতি বছর ধরে ভক্তদের মাটি দেওয়ার ফলে এখানে তৈরি হয়েছে মাটির পাহাড়। একসময় পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা এখন পলি পড়েছে, তবে সে সময় জল থাকত। সেখান থেকে স্নান করে এবং চাষের জমি থেকে মাটি মাথায় নিয়ে, পাহাড়সম চূড়ায় নিম গাছের গোড়ায় পুজো দিয়ে থাকেন পুণ্যার্থীরা। তবে কোন মূর্তি নয়, জাগ্রত সুউচ্চ ঢিলা ভূমি এবং গাছের গোড়ায় এখানে দেবতা।

মনস্কামনা পূর্ণ হওয়া ভক্তবৃন্দরা খিচুড়ি এবং বিভিন্ন তরকারি ভোগের প্রসাদ হিসেবে আগত হাজার হাজার ভক্ত বৃন্দকে বিতরণ করেন বিভিন্নজন। এই উপলক্ষে প্রত্যেক বাড়িতে রান্না বন্ধ থাকে। মহিলারা সকলে এসে হাতে হাত লাগিয়ে রান্নার কাজ করে থাকেন। বর্তমানে এই পুজো ঐতিহ্য এবং পরম্পরায় পরিণত হয়েছে। তবে প্রত্যেকের মুখেই বিষাদের সুর। হাজার হাজার পুণ্যার্থীদের স্নান করার জলের অভাব, মহিলাদের শৌচাগার এবং স্নানের পর ভিজে কাপড় জামা পরিবর্তনের ঘর, বিপদজনক উচ্চতায় উঠতে সিঁড়ি, উচ্চ বাতিস্তম্ভ, পানীয় জলের কল এ সবই প্রয়োজন। পঞ্চায়েত সদস্য হোক বা সমিতি কিংবা জেলা পরিষদ কেউ কখনই খোঁজ নিয়ে তৎপর হননি বলেই অভিযোগ। বাকি কাজগুলির জন্য অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের প্রতীক্ষায় এলাকাবাসী।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

উদ্যোক্তারা জানালেন, পুজো একদিনের হলেও পাঁচ দিন ধরে চলে মেলা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ভক্তরা জানালেন, উঁচু ওই মাটির ঢিবিতে কখনও বাজি পটকা ফাটেনা। নিম গাছগুলিতে মাইক লাগালে তা কিছুক্ষণ পরে বন্ধ হয়ে যায়, চাষের জমিতে ট্রাক্টর কিংবা অন্যান্য গাড়ি ফেঁসে গেলে পুজো না দেওয়া পর্যন্ত কারো সাধ্য নেই সেই গাড়ি তোলে। তবে এসবই ভক্তবৃন্দদের বিশ্বাস।

Mainak Debnath



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর