মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কর্ণফুলীতে ডেঙ্গু পরীক্ষার কীট ও মশক নিধন সামগ্রিক বিতরণ কর্ণফুলীতে এস আলম গ্রুপের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে অবৈধ দখল উচ্ছেদ কর্ণফুলীতে বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন, দিনব্যাপী কর্মশালা সম্পন্ন ‘আজকের বিতার্কিকরাই আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে’ হামলাকারী রাবি ছাত্রদল নেতাদের বাঁচাতে সিসিটিভি ফুটেজ ডিলিট করল প্রভোস্ট ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৯০২ দাসত্ব বরণ নয় বরং প্রযুক্তির উপর করতে হবে রাজত্ব চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী Mohsin Khan-Tamanna Married In Los Angeles? YRKKH Actor’s Cryptic Post Has Fans Saying ‘Mr And Mrs Khan’ | Television News R Praggnanandhaa: ‘I had fever, was not high on energy’: R Praggnanandhaa after double medals at Chess Olympiad | Exclusive | Chess News দুর্গাপূজায় কেউ দুরভিসন্ধি করলে সরকার সহ্য করবে না: ইশরাক

নাগরপুর এলজিইডি অফিসে সাংবাদিককে পত্রিকা দিতে বাধা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩৯ সময় দেখুন
নাগরপুর এলজিইডি অফিসে সাংবাদিককে পত্রিকা দিতে বাধা ও অসৌজন্যমূলক আচরণ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে জাতীয় দৈনিক আমার সংবাদ ও সময়ের কণ্ঠস্বর এর প্রতিনিধি আজিজুল হককে পত্রিকা পৌঁছে দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিতভাবে পত্রিকা সরবরাহ করে আসা আজিজুল হক নিজে পত্রিকা দিতে গেলে দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম খান সরাসরি জানিয়ে দেন, “এই পত্রিকা অফিসে দেওয়া বন্ধ।” এছাড়া তিনি সাংবাদিককে বোঝান, “বিজ্ঞাপন কেমনে পাও সেটা দেখার আছে।”

আজিজুল হক বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত এই অফিসে পত্রিকা পৌঁছে দিই। আজও নিজে পত্রিকা দিতে যাই, কিন্তু উপ-সহকারী প্রকৌশলী সরাসরি বলে দিলেন যে এই পত্রিকা অফিসে দেওয়া বন্ধ। আমি বিষয়টি জানতে ভিডিও বক্তব্য নিতে চাইলে তিনি আমার হাত ও মোবাইল ধরার চেষ্টা করেন।”

অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, “আমি এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে চাইছি না। পত্রিকা গ্রহণ বা বিষয়টি সম্পর্কে পরে কথা বলা হবে।”

উপজেলা পর্যায়ে স্থায়ী কোনো উপজেলা প্রকৌশলী না থাকায় দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে টাঙ্গাইল জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী (XEN) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, “আমি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। সরকারি দপ্তরে পত্রিকা রাখা এবং সাংবাদিকের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সাংবাদিকরা দ্রুত দোষী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি দপ্তরে তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে সংবাদপত্রের ভূমিকা অপরিসীম, যা বাধাগ্রস্ত করা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর