বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১
  • ৩৫১ সময় দেখুন
প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ


ইউনাইটেড নিউজ ডেস্ক :: যখন করোনার থাবায় বিধ্বস্ত দেশ তখনই করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে শুরুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেছেন, শুধু শহরে নয়, গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোকেও টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আনতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকা কার্যক্রম কীভাবে পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।

মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার কথা জানান। বয়স্ক ব্যক্তিদের টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, করোনায় বয়স্ক মানুষ বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুবরণ করছেন। গ্রামাঞ্চলে অনেক বয়স্ক মানুষ রয়েছেন। তারা সরকার নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে পারছেন না। তারা ঝুঁকিতে রয়েছেন। সুতরাং তাদের টিকার আওতায় আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সরকার আরোপিত বিধিনিষেধ কঠোরভাবে বাস্তবায়নেরও নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর টিকাদান পরিকল্পনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়েও এই কার্যক্রম শুরু করা হবে। টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি রয়েছে। এ জন্য হাজার হাজার কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীরাও টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনায় প্রস্তুত রয়েছেন। এমনকি শিক্ষার্থী নার্সদেরও এই কার্যক্রমে নিয়ে আসা হয়েছে। তারা সবাই টিকা দিতে পারবেন।

জাহিদ মালেক বলেন, প্রতি মাসে এক কোটি করে দিলেও ২১ কোটি টিকা দিতে ২১ মাস লাগবে। কিন্তু সরকারের লক্ষ্য দ্রুততম সময়ে অধিক জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা। এ জন্য প্রতিমাসে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা আরও কিছুটা বাড়ানো হবে। করোনার সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের পরিবারের ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের টিকার আওতায় আনা হবে। দেশের মোট ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা সরকারের লক্ষ্য।বর্তমানে দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার-বায়োএনটেক ও মডার্নার টিকা দেওয়া হচ্ছে।

এ পর্যন্ত দেশে টিকা এসেছে দুই কোটি ১২ লাখ ৪৫ হাজার ডোজ। এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত মোট টিকা নিয়েছেন এক কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার জন। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার জন এবং দুই ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ১০ হাজার জন। বর্তমানে টিকার মজুদ রয়েছে ৯১ লাখ ৫৭ হাজার ডোজ।

Print Friendly, PDF & Email



Source link

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর