বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

নববর্ষে সম্প্রীতির বার্তায় মুখর চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২৪ সময় দেখুন
নববর্ষে সম্প্রীতির বার্তায় মুখর চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার

আহমদ বিলাল খান:

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে সম্প্রীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বার্তায় মুখর হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার (সাংঘিক)। ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক ঐক্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহার সাংঘিক’র প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নববর্ষকে ঘিরে সকাল থেকেই বিহার এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক। এই ধরনের আয়োজন সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন
আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশের, চেয়ারম্যান,ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট,চট্টগ্রাম জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক,জে.বি.এস আনন্দবোধি ভিক্ষু। আর্শীবাদক ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধ পণ্ডিত, লেখক ও গবেষক, একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাস্থবির।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সৌরভ প্রিয় পাল।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট,চট্টগ্রাম বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, অপু চৌধুরী আকাশ,ভদন্ত ধর্মবোধি স্থবির,ভদন্ত প্রিয়বোধি ভিক্ষু, বাবু সুশীল বড়ুয়া, কর- আইনজীবী সত্যজিৎ বড়ুয়া শ্যামল দেবনাথ, এবং অসংখ্য নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও সহাবস্থানের প্রতীক। চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারকে কেন্দ্র করে এ ধরনের আয়োজন সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরও সুদৃঢ় করে।

তারা আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করলেই প্রকৃত অর্থে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে ওঠে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সম্প্রীতিমূলক আয়োজন অব্যাহত থাকবে, যা সমাজে ঐক্য ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর