মঙ্গলবার , ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. ক্যারিয়ার
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. তরুণ উদ্যোক্তা
  7. ধর্ম
  8. নারী ও শিশু
  9. প্রবাস সংবাদ
  10. প্রযুক্তি
  11. প্রেস বিজ্ঞপ্তি
  12. বহি বিশ্ব
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. মতামত

লোহিত সাগরে নিরাপত্তাহীনতায় বাড়তে পারে তেলের দাম

প্রতিবেদক
bdnewstimes
ডিসেম্বর ১৯, ২০২৩ ৫:২৮ অপরাহ্ণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কারণে তেল ও অন্যান্য পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা। লোহিত সাগরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সম্প্রতি একাধিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এতে বেশ কয়েকটি সংস্থা এই রুটে তাদের চালান বন্ধ করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানি মারস্ক বলেছে, তারা আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ রুটের মাধ্যমে তাদের জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। লোহিত সাগরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ এই রুটে জাহাজ চলাচলে ফিরে যাচ্ছে কোম্পানিটি। তেল কোম্পানি ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) লোহিত সাগরে তাদের চালান সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে।

এদিকে, লোহিত সাগর রুটে জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি আন্তর্জাতিক নৌ অভিযান শুরু করেছে। নিরাপত্তা অভিযানে যোগদানকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, বাহরাইন, নরওয়ে এবং স্পেন।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেছেন, ইয়েমেন থেকে উদ্ভূত বেপরোয়া হুথি হামলা বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহকে হুমকির মুখে ফেলেছে। নিরপরাধ নাবিকদের বিপদে ফেলেছে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে।

লোহিত সাগর হলো তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চালানের পাশাপাশি ভোগ্যপণ্যের জন্য বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। এই সাগরের দক্ষিণে বাব আল-মান্দাব প্রণালী, যা টিয়ার (অশ্রু) গেট নামেও পরিচিত এবং উত্তরে রয়েছে সুয়েজ খাল।

লোহিত সাগরের বিকল্প পথ কেপ অব গুড হোপ। এই রুট ভ্রমণে জাহাজগুলোকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার নটিক্যাল মাইল বেশি ভ্রমণ করতে হয়। সময় লাগে ১০ দিনের বেশি।

শিপিং বিষয়ক সংবাদপত্র লয়েডস লিস্টের প্রধান সম্পাদক রিচার্ড মেড বিবিসি রেডিওকে বলেছেন, ট্যাঙ্কারগুলো যদি পুনরায় রুট পরিবর্তন করে তাহলে এটি বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের ১২ শতাংশ লোহিত সাগরের মাধ্যমে হয়ে থাকে। বার্ষিক ১ ট্রিলিয়ন সমমূল্যের পণ্যের রুট এটি।

ইনস্টিটিউট অব এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড-এর মহাপরিচালক মার্কো ফোরজিওনা বিবিসিকে বলেছেন, রিরুটিং শিপিংয়ের জন্য জ্বালানি এবং বিমা খরচ বেড়ে যাবে। এছাড়া বন্দরে জাহাজট বাড়বে, এতে কন্টেইনার খালাসে বিলম্ব বাড়বে।

এসএন্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় আমদানিকৃত পণ্যের প্রায় ১৫ শতাংশ সমুদ্রপথে এশিয়া এবং গালফ অঞ্চল থেকে পাঠানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে ২১ দশমিক ৫ শতাংশ পরিশোধিত তেল এবং ১৩ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত তেল।

সারাবাংলা/ইআ





Source link

সর্বশেষ - খেলাধুলা