কুবি প্রতিনিধি :
ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। গ্রীষ্মের ফল ফলাদি, শরতের কাশফুল, শীতের কুয়াশার চাদরে আবৃত থাকে এই অপার সৌন্দর্যের বাংলা। বাংলার প্রকৃতির রূপ মহিমান্বিত করে মানুষের হৃদয়কে। কখনো প্রকৃতি কালো মেঘে ছেয়ে থাকে, কখনো সাদা কাশফুলের সৌন্দর্য, কখনো দিগন্তজোড়া বিস্তৃত ধানক্ষেত। এই বাংলার রূপ দেখে কবি জীবনানন্দ দাশ বলেছিলেন–
“বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি,
তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর”
শরত যেন বাংলার এই নাজুক প্রকৃতিতে যোগ করে এক স্বর্গীয় সৌন্দর্য। প্রকৃতি যেন নতুন করে হেসে ওঠে শরতে। শরতের আকাশে সাদা তুলার মতো মেঘ ভেসে বেড়ায়, সাথে রয়েছে শুভ্র কাশফুল। এই দুইয়ের মিশেলে কুবি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংলগ্ন টিলাগুলো সেজেছে অপার সৌন্দর্যে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এক অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি গাছপালায় ভরা পাশাপাশি রয়েছে ছোট ছোট টিলার সৌন্দর্য। এই সৌন্দর্য আরো ত্বরান্বিত করেছে শরতের শুভ্র কাশফুল।
কুবি কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া পার হয়ে সোজা হেটে গেলে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ। মাঠের দুপাশ ছোট ছোট টিলায় ঘেরা এসব টিলার গায়ে ফুটে আছে শুভ্র কাশফুল। যা এনে দিচ্ছে এক স্বর্গীয় সৌন্দর্য। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা সৌন্দর্য উপভোগ করছেন পাশাপাশি মুহুর্ত গুলো মনে রাখতে তুলছেন ছবি। শরত যেন কুবি ক্যাম্পাসকে এনে দিয়েছে এক প্রাণোচ্ছ্বোলতা।
আইসিটি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. আসিফ বলেন, “সাদা কাশফুলে ছেয়ে আছে প্রাণের কুবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ। বন্ধুবান্ধব নিয়ে এসে সৌন্দর্য উপভোগ করতে চমৎকার লাগছে, পাশাপাশি ফ্রেমবন্দী করছি। এমন সৌন্দর্যে মহিমান্বিত থাকুক আমার ক্যাম্পাস।”
নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মারিয়া তাবাসসুম বলেন, “গত বছর শরতে আমরা ক্যাম্পাসে এসেছিলাম আবার এক শরত আসলো, কুবিতে শরত এক অনন্য রূপ ধারণ করে। টিলার গা জুড়ে সাদা কাশফুল দেখতে চমৎকার লাগে।”