শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

বিজয় দিবস উপলক্ষে কুবির সুনীতি-শান্তি হলে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেট সময়: বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১১০ সময় দেখুন
বিজয় দিবস উপলক্ষে কুবির সুনীতি-শান্তি হলে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সুনীতি-শান্তি হলে বিজয় দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মোসা. শাহীনুর বেগম। এছাড়া হলের হাউজ টিউটর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণ এবং হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এরপর স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অতিথিদের বরণ শেষে আলোচনা পর্ব ও হলের খেলাধুলার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনের আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

বিজয় দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, ‘পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশের মানচিত্র তৈরিতে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। এরপর এবছর যারা দেশকে দ্বিতীয়বার স্বাধীন করতে জীবন দিয়েছেন, তাদেরকেও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তোমরা প্রত্যেকেই একেকজন গুণী মানুষ। তোমাদের একটা কথা মনে রাখতে হবে, আমরা যেন সমাজের বা জাতির কাছে বোঝা হয়ে না যাই; বরং তোমরা নিজেদের এমন জায়গায় নিয়ে যাও, যেন সমাজ বা জাতির উন্নয়নের জন্য একজন সহায়ক মানুষ হও।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা জীবন দিয়ে গেছে দেশের জন্য, তাদের অবদান সর্বোচ্চ। আমরা যারা জীবিত আছি, দেশের জন্য, জাতির জন্য আমাদের সামাজিক, নৈতিক উন্নতি প্রয়োজন। আমরা যে যে অবস্থানে থাকি, আমরা প্রত্যেকেই এই জাতির একটা অংশ। যে আজকে জন্ম নিল, সেও জাতির একটা অংশ হয়ে গেল এবং সে এই জাতির মালিকানা হয়ে গেল। মালিকানা হবে মানে একদিন সে এমন ক্ষমতা অর্জন করবে যে, কে দেশ চালাবে, রাষ্ট্র চালাবে, সেটি সে নির্ধারণ করবে। তোমরাই দেশের মালিক। যেহেতু তোমরাই দেশের মালিক, সেহেতু তোমাদের চৌকস হয়ে গড়ে উঠতে হবে।’

হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মোসা. শাহীনুর বেগম বলেন, ‘আমাদের এই প্রোগ্রাম সফল করতে হলের ছাত্রীদের ও স্টাফদের বিশেষ অবদান রয়েছে। আমাদের হল ২০২২ সালে উদ্বোধন হয়েছে; অনেক সমস্যার এখন পর্যন্ত সমাধান হয়নি। সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা নিয়েই মেয়েরা হলে অবস্থান করছে। আমরা দায়িত্ব নিয়েছি মাত্র দুই মাস হলো। এই দুই মাসেই আমরা অনেক সংস্কার করেছি এবং এক্ষেত্রে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। মেয়েদেরকে যদি শিক্ষার ভালো পরিবেশ দিতে পারি, তাহলে মেয়েরা অনেক এগিয়ে যাবে।’

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি পর্বে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও কবিতাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর